কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে থাকা বাকি চালকদের শরীরে মেলেনি কোভিড সংক্রমণ: বিএসএফ

এক বিএসএফ আধিকারিক বলেছেন, ‘‘এসকর্টের অন্য চালক ও কর্মীদের কারও শরীরেই সংক্রমণ ধরা পড়েনি।’’

কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে থাকা বাকি চালকদের শরীরে মেলেনি কোভিড সংক্রমণ: বিএসএফ

এসকর্ট গাড়ির চালকের কোভিড পজিটিভ হওয়ার পর তাঁকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে।

করোনার কেন্দ্রীয় যে পর্যবেক্ষক দল (IMCT) রাজ্যে এসেছে, তার এসকর্ট গাড়ির বিএসএফ (BSF) চালক করোনা ভাইরাসে (COronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিএসএফ-এর দক্ষিণ বঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের তরফে জানানো হল, বাকি যে চালকরা কেন্দ্রীয় দলের সঙ্গে যুক্ত তাঁদের কারও শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েনি। ‘বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার'-এর সিনিয়র আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, ওই বাহিনীর দিকে অতি সতর্ক নজর রাখা হচ্ছে। খেয়াল রাখা হচ্ছে সমস্ত গাইডলাইন যেন ঠিকমতো মেনে চলা হয়। এক বর্ষীয়ান বিএসএফ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘‘এসকর্ট গাড়ির চালকের পজিটিভ ধরা পড়ার পর আমরা তাঁকে আইসোলেশনে পাঠিয়েছি। সেই সঙ্গে আরও ৫১-রও বেশি কর্মী যাঁরা ওঁর সংস্পর্ষে এসেছিলেন তাঁদেরও কোয়ারান্টাইনে পাঠানো হয়েছে। আমরা এখনও পর্যন্ত আরও ২৫ জনের শরীরে করোনার পরীক্ষা করে দেখেছি।

তিনি আরও বলেন, ‘‘তার মধ্যে এসকর্টের অন্য চালক ও কর্মীরাও রয়েছেন। তাঁদের কারও শরীরেই সংক্রমণ ধরা পড়েনি। কিন্তু তবুও আমরা তাঁদের সকলকে কোয়ারান্টাইনে রেখেছি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে।''

ওই আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, এই অতিমারির শুরু থেকেই বিএসএফে সতর্কতা জারি ছিল। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে তাঁদের বিএসএফ কনস্টেবলের সংক্রমিত হওয়ার বিষয়ে জানানো হয়।

কলকাতার কোভিড পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল। তাঁরা বিএসএফ গেস্ট হাউসে উঠেছেন।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)