জামিন পেলেন এমজে আকবরের বিরুদ্ধে মিটু অভিযোগ তোলা সাংবাদিক প্রিয়া রামানি

মিটু আন্দোলনের সময় এমজে আকবরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলেছিলেন প্রিয়া রামানি।

জামিন পেলেন এমজে আকবরের বিরুদ্ধে মিটু অভিযোগ তোলা সাংবাদিক প্রিয়া রামানি

তাঁকে সমন পাঠানোয় প্রথমবার দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টে হাজির হয়েছিলেন প্রিয়া রামানি।

নিউ দিল্লি:

দিল্লি আদালতে জামিন পেলেন এমজে আকবরের বিরুদ্ধে মিটু আন্দোলনের সময় অভিযোগ তোলা সাংবাদিক প্রিয়া রামানি, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন এমজে আকবর।

তাঁকে সমন পাঠানোয় প্রথমবার দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টে হাজির হয়েছিলেন প্রিয়া রামানি।তাঁকে ১০,০০০ টাকা বন্ডে জামিন মঞ্জুর করা হয় এবং ১০ এপ্রিল ফের আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে প্রিয়া রামানিকে।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হবে ১০ এপ্রিল। তখন আমার কথা বলার সময় আসবে। সত্যই আমার শক্তি”।

রামানির হাজিরা এড়ানোর আবেদনের বিরোধিতা করবেন বলে জানান এমজে আকবরের আইনজীবীরা।

মহিলাদের স্নানের ছবি তোলার অভিযোগে গ্রেফতার আইআইটি বম্বের ছাত্র

সংবাদমাধ্যমে কাজের সময় এমজে আকবরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলেছিলেন প্রিয়া রামানি, ফলে ২০১৮ এর ১৭ অক্টোবর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদ খোয়াতে হয় তাঁকে। এমজে আকবরের পদত্যাগের দিন ট্যুইটে প্রিয়া রামানি লেখেন, “আকবরের পদত্যাগ প্রমাণ দিচ্ছে বলে একজন মহিলা হিসেবে বুঝতে পারছি।আমিও সেদিনের দিকে তাকিয়ে রয়েছি, যেদিন আদালতে আমিও সুবিচার পাব”।

সুইসাইড নোটে মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করলেন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার

তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলে প্রিয়া রামানিকে সমন পাঠান অ্যাডিশনার চিফ মেট্রোপলিটন মেজিস্ট্রেট সমর বিশাল।তারপরেই প্রিয়া রামনি ট্যুইটে লেখেন, “আমাদের কথা বলার সময় এসেছে”।

এমজে আকবরের আইনজীবী গীতা লুথরা এবং আইনজীবী সন্দীপ কাপুর আদালতে বলেন, “মিথ্যা, হিংস্র এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে এমজে আকবরের সুনাম নষ্ট করেছেন প্রিয়া রামানি”।

"আমাদের লড়াই কাশ্মীরের জন্য, কাশ্মীরিদের বিরুদ্ধে নয়": নরেন্দ্র মোদী

এমজে আকবরের বিরুদ্ধে যৌন  হেনস্তার অভিযোগ তুলেছিলেন মার্কিন মুলুকের এই সাংবাদিক, তাঁর অভিযোগ ২৩ বছর আগে জয়পুরের একটি হোটেলে তাঁকে হেনস্তা করেছিলেন এমজে আকবর, তারপরেই প্রকাশ্যে আসে হেনস্তার একাধিক উদাহরণ। তাঁদের মধ্যে সম্মতি ছিল বলে মন্তব্য করেন এমজে আকবর, যদিও প্রিয়া রামানি বলেন, সম্পর্ক ছিল, “বলপ্রয়োগ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার”র ভিত্তিতে।

 

Ndtv সম্পর্কিত কোনও তথ্য জানাতে চাইলে মেল করুন worksecure@ndtv.com

More News