This Article is From May 17, 2020

৩১ মে পর্যন্ত লকডাউন মেয়াদ বৃদ্ধি তামিলনাড়ুতে! সংক্রমণ নিরিখে দেশে দ্বিতীয়

মহারাষ্ট্রের পর দক্ষিণের এই রাজ্য সংক্রমণ সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখে বাড়াল লকডাউন মেয়াদ

৩১ মে পর্যন্ত লকডাউন মেয়াদ বৃদ্ধি তামিলনাড়ুতে! সংক্রমণ নিরিখে দেশে দ্বিতীয়
চেন্নাই:

৩১ মে পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বাড়াল তামিলনাড়ু (Lockdown extended in TN)। মহারাষ্ট্রের পর দক্ষিণের এই রাজ্য সংক্রমণ সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখে বাড়াল লকডাউন মেয়াদ। যদিও দেশের দ্বিতীয় সংক্রমিত (Covid-19) রাজ্য হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের খাতায় নাম তুলেছে তামিলভূম। তবে রাজ্যের ২৫টি জেলায় কিছু বিধি শিথিল করা হবে এমনটাই সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, গণজমায়েত স্থল, যেমন স্কুল, কলেজ, উপাসনাস্থল, সিনেমা হল, রেস্তোরাঁ, পানশালা ৩১ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে, কোয়েম্বাতুর, সালেম, নীলগিরি-সহ ২৫টি জেলায় কিছু বিধি শিথিল করবে রাজ্য।ই-পাস ছাড়াই নিত্যপ্রয়োজনীয় পরিষেবার জন্য পথে নামতে পারবেন রাজ্যবাসী। রবিবার সকালেই ৩১ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়িয়েছে মহারাষ্ট্র। সংক্রমণের নিরিখে দেশে ফার্স্টবয় পশ্চিমের এই রাজ্য। এখনও পর্যন্ত সংক্রমিত প্রায় ৩০ হাজার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, দেশের মোট সংক্রমিতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মহারাষ্ট্রের। এরপরেই দ্বিতীয় স্থানে তামিলনাড়ু (Tamilnadu), সংক্রমিত প্রায় ১০ হাজার। 

লকডাউনের মাঝেই পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করে নিজের চোখে পরিস্থিতি দেখলেন রাহুল গান্ধি

গত সপ্তাহে কয়েক দফা লকডাউন বিধি শিথিল করেছিল তামিলনাড়ু। ১১ মে থেকে কার্যকরী হয়েছে সেই সিদ্ধান্ত। স্থানীয় দোকান ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিধি শিথিল করা হয়েছিল। বাড়ানো হয়েছিল দোকানগুলোতে বিকিকিনির সময়সীমা। আর সীমিত কর্মী নিয়ে কাজ শুরুর অনুমতি পেয়েছিল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। গত মাসে তামিলনাড়ুর ৫টি জেলায় ৩-দিনের তীব্র লকডাউন লাগু করা হয়েছিল। 

কোষাগার ভরতে রাজ্যগুলোকে আরও ধার করার সুযোগ দিল অর্থ মন্ত্রক

এদিকে, ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯০,০০০ পেরোল। গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক ৪,৯৮৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন কোভিড-১৯-এ। এর ফলে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৯০,৯২৭। এখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ২,৮৭২ জন। রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে একথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৩৪,০০০-এর বেশি রোগী সুস্থ হয়ে গিয়েছে। সুস্থতার হার ৩৭.৫১ শতাংশ। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, তামিলনাডু, গুজরাত— দেশের সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ দেখা গিয়েছে এই রাজ্যগুলিতে। গত ২৪ ঘণ্টাতে সেখানেও আক্রান্তের সংখ্যা আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।