This Article is From May 17, 2020

লকডাউনের মাঝেই পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করে নিজের চোখে পরিস্থিতি দেখলেন রাহুল গান্ধি

রাহুল গান্ধি শনিবার দিল্লিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করেন। শ্রমিকদের কাছ থেকে তাদের অবস্থার বিষয়ে বিশদে জানতে চান রাহুল।

লকডাউনের মাঝেই পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করে নিজের চোখে পরিস্থিতি দেখলেন রাহুল গান্ধি
নয়াদিল্লি:

দেশব্যাপী জারি লকডাউনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। বাড়ি ফেরার ইচ্ছা, খিদে, এবং অসহায় যাপনের মুখে পড়ে রয়েছেন সারা ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষ। ফিরতে ফিরতেই পথেই মারাও যাচ্ছেন বহু। এরই মধ্যে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধি শনিবার দিল্লিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করেন। শ্রমিকদের কাছ থেকে তাদের অবস্থার বিষয়ে বিশদে জানতে চান রাহুল। কংগ্রেস সূত্রের খবর, সন্ধাবেলায় রাহুল গান্ধি সুখেদব বিহার অঞ্চলের ফ্লাইওভারের কাছে পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করতে যান এবং তাঁদের সঙ্গে প্রায় একঘণ্টা আলোচনা করেন। সূত্রের খবর, নির্দিষ্ট সামাজিক দূরত্ব মেনেই রাহুল শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনার করেন।

কংগ্রেসের দাবি, রাহুল গান্ধি যে পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁদের সকলকেই আটক করেছে পুলিশ। দলীয় মুখপাত্র গৌরব বল্লভ বলেন, ‘‘সরকার ভয় পাচ্ছে যে পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি ফিরে নেতাদের আসল সত্য, আসল রাজনীতির কথা সকলকে জানিয়ে দেবেন। আমরা বলছি, মিথ্যাকে যত দমিয়ে রাখবে, ততই সে বেরিয়ে আসবে।”

শনিবার সকালেই জুম ভিডিও কলের মাধ্যমে সাংবাদিকদের উদ্দেশে রাহুল গান্ধি কৃষক এবং অভিবাসীদের জন্য তাত্ক্ষণিকভাবে ত্রাণ সরবরাহ করতেই না পারা “ঋণের প্যাকেজ” সম্পর্কে ‘গুরুতর প্রতিক্রিয়া' ব্যক্ত করেন।

রাহুল গান্ধি বলেন, “আমাদের জনগণের অর্থের প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর এই প্যাকেজটি নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা উচিত। মোদিজির সরাসরি নগদ স্থানান্তর, এমএনআরইজিএ-র অধীনে ২০০ দিনের কর্মদিবস, কৃষকদের জন্য অর্থ সম্পর্কে চিন্তা করা উচিত, কারণ তারা ভারতের ভবিষ্যত।”

কেরলের লোকসভার সাংসদ গত বছর সাধারণ নির্বাচনের প্রচারের সময় কংগ্রেস প্রস্তাবিত ন্যায় স্কিমটি তুলে ধরেন- যাতে সমাজের দরিদ্রতম শ্রেণির জন্য বার্ষিক ৭২ হাজার টাকা আয়ের সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। রাহুল গান্ধি কেন্দ্র সরকারকেও অনুরূপ পরিকল্পনা নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। “রাস্তায় হাঁটতে থাকা অভিবাসী শ্রমিকের অর্থ দরকার, ঋণের দরকার নেই। যে কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন তার অর্থ দরকার, ঋণ নয়। আমরা যদি তা না করি তবে এটি একটি বিপর্যয়কর সমস্যা হয়ে উঠবে,” বলেন রাহুল।