This Article is From May 17, 2020

কোষাগার ভরতে রাজ্যগুলোকে আরও ধার করার সুযোগ দিল অর্থ মন্ত্রক

বুধবার থেকে রবিবার, টানা ৫ দিন ২০ লক্ষ কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী

নয়া দিল্লি:

রাজ্যকে আরও বেশি ধার করার সুযোগ তৈরি করল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman on Financial Package)। আগে জিএসডিপি'র (GSDP) ওপর সর্বোচ্চ ৩% পর্যন্ত ধার করতে পারত রাজ্যগুলো। কিন্তু সেই শতাংশ বাড়িয়ে ৫% করল অর্থ মন্ত্রক। এই সিদ্ধান্তের জেরে রাজ্যগুলোর কোষাগারে অতিরিক্ত ৪ লক্ষ ২৮ কোটি টাকা ঢুকবে। এমন দাবি রবিবার করলেন অর্থমন্ত্রী। নির্মলা সীতারমণ রবিবার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত আর্থিক প্যাকেজের বরাদ্দ প্রসঙ্গে বলতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। বুধবার থেকে রবিবার, টানা ৫ দিন ২০ লক্ষ কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী। এই বৈঠকের পঞ্চম তথা শেষদিনে তিনি বলেন, "করোনা যুদ্ধে (COVID-19) সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যের কোষাগারগুলো। তাই প্রথম থেকেই আমরা ওদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়েছি।" তিনি জানিয়েছেন, জিএসডিপি'র পর এযাবৎকাল ৩% পর্যন্ত টাকা ধার করতে পারতো রাজ্যগুলো। অর্থ মন্ত্রক (Finance Ministry) সেটা বাড়িয়ে ৫% করল। অর্থাৎ বাড়ানো হল রাজ্যের গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ওপর ধার করার শতাংশ। 

Lockdown 4.0: ৩১ মে পর্যন্ত লকডাউন বৃদ্ধির সম্ভাবনা, ছাড় পেতে পারে মেট্রো পরিবহন

এমনকি রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে এই সিদ্ধান্ত প্রণয়নে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার এমন দাবিও করেছেন অর্থমন্ত্রী। সংক্রমণ প্রতিরোধী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করে চলেছে রাজ্যগুলো। গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে রাজ্যের বকেয়া মেটাতে আবেদন করা হয়েছিল। জিএসটি বাবদ প্রাপ্ত শতাংশ বরাদ্দ করুক কেন্দ্র। এই মর্মে আর্জি জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীকে।    

লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ মে করল মহারাষ্ট্র

এদিকে, অ-কৌশলগত খাতে রাজ্যের এন্টারপ্রাইজগুলোর বেসরকারিকরণ করবে সরকার। এবং বেসরকারি সংস্থাগুলিকে সব ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করার অনুমতিও দেওয়া হবে। রবিবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন একথা জানিয়েছেন কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সরকারি পরিকল্পনার কথা জানানোর সময়। তিনি বলেন, ‘‘নতুন ‘আত্মনির্ভর' ভারত দাঁড়িয়ে থাকবে নতুন সরকারি সেক্টর এন্টারপ্রাইজ নীতির উপরে, কৌশলগত ক্ষেত্রে, অন্তত একটি সরকারি ক্ষেত্র থাকবে। তবে বেসরকারি ক্ষেত্রকেও অনুমতি দেওয়া হবে।''

কোন কোন কৌশলগত ক্ষেত্রকে জনস্বার্থে সরকারি অধিগ্রহণ করা হবে তা পরে তালিকা পেশ করে জানানো হবে। তিনি বলেন, ‘‘প্রশাসনিক খরচ কমাতে কৌশলগত ক্ষেত্রে এন্টারপ্রাইজের সংখ্যা হবে চারটিতে এক। বাকিগুলির বেসরকারিকরণ হবে কিংবা অন্য সংস্থার অধীনে আনা হবে।''