স্নাতক ও স্নাতকোত্তর চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নিয়ে ২৬ জুনের পরে সিদ্ধান্ত

West Bengal: মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখনই খোলা হচ্ছে না, আপাতত আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সেগুলো

স্নাতক ও স্নাতকোত্তর চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নিয়ে ২৬ জুনের পরে সিদ্ধান্ত

Partha Chatterjee: সবদিক বিবেচনা করেই রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, জানান শিক্ষামন্ত্রী (ফাইল চিত্র)

হাইলাইটস

  • স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শুধু চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে
  • বাকি বর্ষগুলোতে আগের পরীক্ষার ফল বিবেচনা করে পাশ করানো হবে
  • শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন এই কথা
কলকাতা:

রাজ্যের (West Bengal) কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা কবে হবে সেবিষয়ে আগামী ২৬ জুনের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সংবাদসংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়াকে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের জেরে বহুদিন ধরেই বন্ধ রাখা হয়েছে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখনই খোলা হচ্ছে না। আপাতত আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে রাজ্য পরিচালিত সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেই সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে কলেজ (Collage) ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে (University) সব ইন্টারমেডিয়েট সেমিস্টার পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র ফাইনাল সেমিস্টার পরীক্ষাটিই নেওয়া হবে। বাদবাকি ক্ষেত্রে আগের পরীক্ষাগুলো এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতেই পড়ুয়াদের পরবর্তী শ্রেণিতে তোলা হবে।

৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ রাজ্যের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: পার্থ চট্টোপাধ্যায়

এদিকে মহারাষ্ট্র, পণ্ডিচেরী এবং মধ্যপ্রদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অধীনে যেসব কলেজ আছে সেগুলোতে সমস্ত স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরের চূড়ান্ত পরীক্ষাও বাতিল করেছে এবং পূর্ববর্তী সেমিস্টারে প্রাপ্ত মোট নম্বরগুলির ভিত্তিতে পড়ুয়াদের পাশ করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দ্বাদশ শ্রেণির বাকি থাকা পরীক্ষার ভবিষ্যৎ কী? সুপ্রিম কোর্টকে সিদ্ধান্ত জানাবে CBSE

এদিকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ যেভাবে লাগাতার বেড়েই চলেছে তাতে উচ্চমাধ্যমিকের বাকি তিনদিনের পরীক্ষা এবং সম্পূর্ণ শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা। তাঁদের বক্তব্য, এখন পরীক্ষা নেওয়া খুবই ঝুঁকির হতে পারে।

এই প্রসঙ্গে অবশ্য শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, "আমরা উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও সমস্ত শিক্ষামূলক কার্যক্রম আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করেই এই ঘোষণা আমি করছি। উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলোর বিষয়ে প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। তবে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি আমরা। সবদিক বিবেচনা করেই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে"। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলো আগামী ২, ৬ ও ৮ জুলাই নেওয়া হবে।