“আমার গর্ব মমতা”, নয়া প্রচারাভিযান চালু করল তৃণমূল কংগ্রেস

জনসংযোগ বাড়াতে “দিদিকে বলুন” হেল্পলাইন চালু করেছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

 Share
EMAIL
PRINT
COMMENTS
“আমার গর্ব মমতা”, নয়া প্রচারাভিযান চালু করল তৃণমূল কংগ্রেস

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোর টক্কর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের।.


কলকাতা: 

২০২১-এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে তৃণমূলস্তরে নিজেদের সংগঠনের ভিত মজুবত করতে এবং জনসংযোগ বাড়াতে “দিদিকে বলুন” হেল্পলাইন চালু করেছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এবার আমার গর্ব মমতা নামে নতুন প্রচারাভিযানও চালু করল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের কোন কোন প্রকল্প বা কাজে তাঁরা গর্বিত বা কেন সেই প্রকল্প তাঁদের ভাল লাগছে, তা তুলে ধরা যাবে এর মাধ্যমে। গত আট বছরে রাজ্য সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রীকে কেন তাঁদের ভাল লাগছে, সেকথা তুলে ধরা যাবে ট্যুইটার পেজে। এরজন্য “আমার গর্ব মমতা” (Amar Gorbo Mamata) হ্যাশট্যাগ দিয়ে একটি ট্যুইটার পেজ চালু করা হয়েছে রাজ্যের শাসকদলের তরফে।

মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে “দিদিকে বলো” কর্মসূচী, দাবি দলীয় সূত্রের

তৃণমূলের এক নেতা সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বলেন, “ট্যুইটারসহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায়, কেন তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য গর্বিত, তা জানাতে পারবে সাধারণ মানুষ। “আমার গর্ব মমতা” (Amar Gorbo Mamata) সম্পর্কে তাঁদের অভিজ্ঞতাও শেয়ার করা যাবে। আমরা সবাই আমাদের দিদির জন্য গর্বিত, এবার আমাদের অন্যান্যদের অভিজ্ঞতাও জানতে হবে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে হবে”।

গত সপ্তাহেই, "দিদিকে বলো" হেল্পলাইন চালু করেছে তৃণণমূল কংগ্রেস। নিজেদের সমস্যা ও দাবিদাওয়া সম্পর্কে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে জানাতে পারবে সাধারণ মানুষ। প্রকল্পটি চালু করেন রাজনৈতিক স্ট্রেটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোর। রাজ্যে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত রুখতে, তাঁকে নিয়োগ করেছে জোড়াফুল শিবির।

একদা বঙ্গে বিজেপির উত্থান কার্যত অসম্ভব বলে মনে করা হত। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের একাংশের বিরুদ্ধে লাগাতার বিভিন্ন অভিযোগ, বিশেষ করে তোলাবাজির অভিযোগ, গেরুয়া শিবিরকে জায়গা করে দিয়েছে। ফলে বঙ্গে পদ্ম চাষের উর্বর মাটি তৈরি হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এ রাজ্যে পায় ১৮টি আসন, ২০১৪ নির্বাচনে পেয়েছিল মাত্র ২টি আসন। অন্যদিকে, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে ৩৪টি আসন পেলেও, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুল ফোটে রাজ্যের ২২ আসনে।

জল সংরক্ষণে নাগরিক সমাজকে ভুমিকা গ্রহণের আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর

দিদিকে বলো হেল্পলাইন চালুর অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, “১০০ দিনেরও বেশী সময়ে, দলের ১,০০০-এরও বেশী নেতাকর্মী, রাজ্যের ১০,০০০ গ্রামে যাবেন। সেখানে থেকে গ্রামবাসীদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে, তাঁদের অভাব অভিযোগ শুনবেন তাঁরা”।



পশ্চিমবঙ্গের খবর, কলকাতার খবর , আর রাজনীতি, ব্যবসা, প্রযুক্তি, বলিউড আর ক্রিকেটের সকল বাংলা শিরোনাম পড়তে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

NDTV Beeps - your daily newsletter

................................ Advertisement ................................

................................ Advertisement ................................

................................ Advertisement ................................