This Article is From Sep 14, 2019

অনলাইনে প্রকাশিত অসমের পূর্ণাঙ্গ নাগরিক তালিকা, ঠাঁই ৩.৩০ কোটি আবেদনকারীর

Assam NRC: ৩১ আগস্ট এনআরসি থেকে বাদ পড়ে ১৯ লক্ষেরও বেশি লোকের নাম, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিদেশিদের ট্রাইব্যুনালে তাঁদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে হবে।

অনলাইনে প্রকাশিত অসমের পূর্ণাঙ্গ নাগরিক তালিকা, ঠাঁই ৩.৩০ কোটি আবেদনকারীর

Assam: ৩১ অগাস্ট চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সময় এনআরসি তালিকা থেকে ১৯ লক্ষেরও বেশি লোকের নাম বাদ দেওয়া হয়।

গুয়াহাটি:

অসম এনআরসির তালিকা তৈরির সময় সেই তালিকায় ঠাঁই পাওয়ার জন্যে আবেদন করা ৩.৩০ কোটি লোকের বর্তমান স্ট্যাটাস আজ (শনিবার) অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে। ৩১ অগাস্ট এনআরসি (Assam NRC) থেকে বাদ যাওয়া ব্যক্তিদের তালিকা (Assam NRC final list) প্রকাশের পর নতুন এই তালিকাটিতে যাঁরা নাগরিক হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন তাঁদের নাম যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গেছে অথচ যাঁদের আবেদন বিচারাধীন রয়েছে । এই তালিকা থেকেই অসমের (Assam) ওই মানুষগুলি দেখতে পারবেন তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম এনআরসি তালিকায় স্থান পেতে চলেছে কিনা। ৩১ আগস্ট এনআরসি থেকে বাদ পড়ে ১৯ লক্ষেরও বেশি লোকের নাম, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিদেশিদের ট্রাইব্যুনালে তাঁদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে হবে।

“প্রত্যেকটি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে তাড়ানো হবে”, অসমে বললেন অমিত শাহ

সেই সব ভাগ্যবানরা যাঁরা এখনও অসমের নাগরিক তালিকায় ঠাঁই পাওয়ার আশা রাখছেন, তাঁদের আরও এক পর্যায়ের আইনি যাচাইকরণের জন্যে এখনও এ দেশে থাকতে দেওয়া হবে, আর যাঁদের নাম বিবেচনাতেই আসার মতো নয় তাঁদের অসমের গোয়ালপাড়া জেলায় অবস্থিত দেশের প্রথম শরণার্থী কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

ট্রাইব্যুনালেও যাঁদের নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁরা অত্যন্ত উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন এখন। কেননা গোয়ালপাড়া সহ দশটি প্রস্তাবিত শরণার্থী শিবিরের প্রত্যেকটি মাত্র ৩,০০০ জনকে জায়গা দিতে সক্ষম। এনআরসি থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম বাদ পড়ায় ঠিক কত জন সেখানে আশ্রয় পাবেন তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে,  এনআরসি তালিকা থেকে বিদেশি হিসাবে নাম বাদ যাওয়া মানুষের মধ্যে এখনই প্রায় এক হাজারেরও বেশি লোক ওই শরণার্থী শিবিরে রয়েছেন।

এনআরসির বিরোধিতা, তালিকার বাইরের মানুষদের দায়িত্ব নিতে হবে কেন্দ্রকেই, দাবি তৃণমূলের

"আমাদের দেশের কোনও আইনই অনির্দিষ্টকালের জন্য কাউকে আটকে রাখার নির্দেশ দেয় না। গোটা বিশ্বই এই ধরণের ধারণার বা ভাবনার নিন্দা করবে। ডিটেনশন সেন্টারগুলি মূলত সেই সমস্ত লোকদের রাখার জন্য যাঁরা সব ধরণের আইনের উপায় অবলম্বন করেও নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে পারেনি। তবে এ বার এই সংখ্যাটা প্রচুর হতে চলেছে”, এনডিটিভিকে আগেই বলেন আইনজীবী সৈয়দ বুরহানুর রহমান।