This Article is From Jul 27, 2020

১৫ বছর পর, অসমের কাজিরাঙায় বাঘের সফল প্রজনন! গর্ভবতী বাঘিনীর ছবি লেন্সবন্দি

১৫ বছর পর এই প্রথম বাঘের প্রজননের সফল প্রমাণ মিলেছে। গর্ভবতী এক বাঘিনীর ছবিও ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।

১৫ বছর পর, অসমের কাজিরাঙায় বাঘের সফল প্রজনন! গর্ভবতী বাঘিনীর ছবি লেন্সবন্দি

গর্ভবতী এক বাঘিনীর ছবিও ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।

অসম:

ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যার কারণে অসমের কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের বহু প্রাণী মারা গিয়েছে এবং বহু মানুষের জীবিকাও ক্ষতির মুখে। এই জাতীয় উদ্যান এ বছর পর্যন্ত তিনটি বন্যার বন্যার কবলে পড়েছে যার ফলে ৯২ শতাংশ এলাকা জলের তলায় ডুবে গিয়েছে। ১২ টি গন্ডার সহ ১২৩ টি প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে বন্যায়। তবে বিধ্বংসী বন্যার ফলে ঘটে যাওয়া সমস্ত ধ্বংসের মাঝেও সুসংবাদ সমাগত! সুখবর এসেছে লাওখোয়া বুরহাচাপোরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য থেকে যা কাজিরাঙা টাইগার রিজার্ভের বাফার এলাকা। ১৫ বছর পর এই প্রথম বাঘের প্রজননের সফল প্রমাণ মিলেছে। গর্ভবতী এক বাঘিনীর ছবিও ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।

উদ্যানের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, “গর্জন এবার আরও জোরে! লাউখোয়া বুরহাচাপোরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে অর্থাৎ কাজিরাঙা টাইগার রিজার্ভের টাইগার বাফার এলাকায় ক্যামেরার ফাঁদে ধরা পড়ল বাঘের সফল প্রজননের প্রথম প্রমাণ। ১৫ বছরেরও বেশি পরিশ্রম এবং প্রচেষ্টার ফলাফল।” টুইটটিতে একটি গর্ভবতী বাঘিনীর ছবিও দেখানো হয়েছে যা ক্যামেরার পাতা ফাঁদে ধরা পড়েছিল।

একজন টুইটার ব্যবহারকারী অফিসিয়াল হ্যান্ডেলকে আরও কিছু ছবি আপলোড করার জন্য অনুরোধ করেন যার উত্তরে জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা শীঘ্রই ছবিগুলি আপলোড করবে।

“আমরা আমাদের পরিচালকের কাছ থেকে অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করছি। খুব শীঘ্রই ছবি আপলোড করা হবে! ধন্যবাদ,” টুইটে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

কিছু দিন আগে, প্রিন্স উইলিয়াম এবং তাঁর স্ত্রী কেট মিডলটন কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের ধ্বংসযজ্ঞের জন্য উদ্বেগ ও চিন্তা প্রকাশ করেছিলেন।

জাতীয় উদ্যানের পরিচালক পি শিবকুমারকে লেখা একটি চিঠিতে কেমব্রিজের ডিউক অ্যান্ড ডাচরা জানিয়েছেন, খুব ভারী বৃষ্টির জন্য বন্যার কারণে কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান ও এর বন্যজীবনের ভয়াবহ বিপর্যয় শুনে তাঁদের ভীষণই মন খারাপ।

যদিও অসমে বন্যা এখন প্রতি বছরই সাধারণ ঘটনা হয়ে গিয়েছে। ব্রহ্মপুত্র এবং এর উপনদীগুলির বাঁধ ভেঙে জল ঢোকায় এই বছর অসমের বন্যা মারাত্মক আকার নিয়েছে।