জিএসটির ঘাটতি দূর করতে কর বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ চাইলেন নির্মলা সীতারামন

অর্থমন্ত্রী বলেন যে, Goods and Services Tax বাস্তবায়নের পথে শিল্পমহল সরকারকে দুষছে, জিএসটিকে বলা হয় বৃহত্তম পরোক্ষ কর সংস্কার, এটি ২০১৭ সালের জুলাইয়ে চালু হয়

 Share
EMAIL
PRINT
COMMENTS

জিএসটি কাঠামোর সমালোচনা না করে এর সমাধানের পথ খোঁজা উচিত, বললেন Nirmala Sitharaman


পুণে: 

পণ্য ও পরিষেবাদি কর (GST) কাঠামোটি চালু হওয়ার দু'বছর পরেও কিছু সংশোধনের প্রয়োজন থাকতে পারে এর মধ্যে, শনিবার করদাতাদের এক গোষ্ঠীর সামনে একরকম স্বীকার করে নিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) । তিনি আয়কর সংক্রান্ত পেশাদারদের এই নিয়ে সরকারকে না দুষে বরং কীভাবে এর সমাধান করা যায় সে সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়ার অনুরোধ করেন। জিএসটি নিয়ে কর পেশাদারদের উত্থাপিত উদ্বেগের বিষয়ে ঠিক এভাবেই প্রতিক্রিয়া দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী । তিনি বলেন, জিএসটি বাস্তবায়নের পথে শিল্প সংস্থাগুলো সরকারকে দোষারোপ করছে। অথচ জিএসটিকে বলা হয় দেশের বৃহত্তম পরোক্ষ কর সংস্কার। এটি ২০১৭ সালের জুলাই মাস থেকে প্রয়োগ করা হয়েছিল। সংসদে পাস হওয়া আইনটির (Goods and Services Tax) সমালোচনা না করে তাঁকে কীভাবে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা যায় সে বিষয়েও কর বিশেষজ্ঞদের থেকে পরামর্শ চান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। 

ভারতের সবচেয়ে বড় কর সংস্কার করেছিলেন অরুণ জেটলি

অর্থমন্ত্রী বলেন দীর্ঘদিন  ধরে আলোচনার পর দেশের বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও রাজ্য আইনসভা সংসদে একসঙ্গে কাজ করে এই আইনটি নিয়ে এসেছে। তিনি একথাও বলেন যে, "আমি জানি যে আপনি নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এটিj সম্পর্কে নানা কথা বলছেন তবে হঠাৎকরে আমরা এটাকে খারাপ কাঠামো বলতে পারি না"। সীতারামন শিল্পপতি, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস, সংস্থা সচিব এবং আর্থিক খাতের অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গেও জিএসটি নিয়ে আলোচনা করেন।

$5-Trillion অর্থনীতির লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব: প্রণব মুখোপাধ্যায়

তিনি বলেন, জিএসটি বাস্তবায়নের মাত্র দু'বছর হয়েছে। আমি স্বীকার করছি যে এই কাঠামোটি প্রথম থেকেই আরও সন্তোষজনক হওয়া উচিত ছিল। "আমি চাই যে সমস্ত কর বিষয়ক পরামর্শদাতারা জিএসটিকে আরও ভাল করে প্রয়োগ করার জন্য কিছু না কিছু সমাধান খুঁজে বের করবেন। আমাদের শুধু সমালোচনা করা উচিত নয়। জিএসটিতে কিছু সংশোধনের প্রয়োজন থাকতেই পারে। এটি আপনার জন্যে কিছু সমস্যা সৃষ্টি করলেও এ বিষয়ে যা খুশি বলা উচিত নয়, কেননা আমাকে ক্ষমা করুন, বলতে বাধ্য হচ্ছে যে এটি একটি আইন, এর বিষয়ে যা খুশি বলা যায় না"।

দেখে নিন ১১.১০.২০১৯-এর বড় খবর:



পশ্চিমবঙ্গের খবর, কলকাতার খবর , আর রাজনীতি, ব্যবসা, প্রযুক্তি, বলিউড আর ক্রিকেটের সকল বাংলা শিরোনাম পড়তে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

NDTV Beeps - your daily newsletter

................................ Advertisement ................................

................................ Advertisement ................................

................................ Advertisement ................................