খড়গপুর-আইআইটি'র বিসি রায় ইনস্টিটিউটে কোয়ারান্টাইন কেন্দ্র

চলতি বছর জুন-জুলাইয়ের মধ্যে ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালের বহির্বিভাগ চালু হওয়ার কথা

খড়গপুর-আইআইটি'র বিসি রায় ইনস্টিটিউটে কোয়ারান্টাইন কেন্দ্র

চলতি বছর জুন-জুলাইয়ের মধ্যে ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালের বহির্বিভাগ চালু হওয়ার কথা। (ফাইল ছবি)

কলকাতা/খড়গপুর:

আইআইটি-খড়গপুরের বিসি রায় ইনস্টিটিউট কোয়ারান্টাইন কেন্দ্র (Quarantine centre in IIT-Kharagpur) হল। ভিন রাজ্য থেকে যারা বাংলায় ফিরছেন, তাঁদের জন্য এই ব্যবস্থা। বুধবার জানালেন আইআইটি-খড়গপুরের এক আধিকারিক। ৯২০০ বর্গমিটার জায়গায় তৈরি দ্বিতল এই আবাসন এক মাসেই আগেই পশ্চিম মেদিনীপুর (West midnapore District) জেলা প্রশাসনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আইআইটি-খড়গপুরের সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল হিসেবে নির্মিত করা হয়েছে এই বহুতল। চলতি বছর জুন-জুলাইয়ের মধ্যে ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালের বহির্বিভাগ চালু হওয়ার কথা। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ভৃঙ্গুনাথ সিং বলেন, "প্রাথমিকভাবে এই আবাসন ব্যবহারযোগ্য। কিন্তু কিছু সমস্যায় নির্মাণ সংস্থা থেকে পজেসন সম্পন্ন হয়নি। অপারেশন থিয়েটারে তৈরি ও লিফটের কিছু কাজ বাকি। সেগুলো লকডাউন পর্ব মিটলেই চালু করা হবে।" 

রাজ্যের মেডিকেল বুলেটিনে "বড়সড় গড়মিল" আছে, অভিযোগ কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ের

গোটা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও ক্রমশই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও। এবার তাই রাজ্যের (West Bengal) করোনা পরিস্থিতিকে আয়ত্তে আনতে অন্যতম বড় সরকারি হাসপাতাল কলকাতা মেডিকেল কলেজকে পুরোপুরি "কোভিড স্পেশালিস্ট" হাসপাতাল হিসাবে চিহ্নিত করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ৭ মে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে মেডিকেল কলেজ রাজ্যের পূর্ণসময়ের কোভিড হাসপাতাল হিসেবে কাজ শুরু করবে। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্যে বরাদ্দ ৬৮ তম হাসপাতাল হচ্ছে সেটি। এর আগে গোটা রাজ্যে ৬৭ টি হাসপাতালে চিকিৎসা হচ্ছিল করোনা ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত রোগীদের। রাজ্য সরকারের তরফে বুধবার জানানো হয়েছে যে, প্রাথমিকভাবে ৫০০ শয্যা (COVID- 19 ও SARI দুই ধরণের রোগীদের জন্য) নিয়েই বৃহস্পতিবার থেকে পুরোদমে কোভিড হাসপাতাল হিসাবে কাজ শুরু করতে চলেছে কলকাতা মেডিকেল কলেজ। পরবর্তী সময়ে করোনা পরিস্থিতির বিচার করে পর্যায়ক্রমে হাসপাতালের বেড আরও বাড়ানোর কথা বিবেচনা করা হতে পারে।

এতদিন পর্যন্ত রাজ্য করোনা রোগীদের জন্যে মোট  ৮০৩৬ টি বেড বা শয্যা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু মেডিকেল কলেজ কোভিড হাসপাতাল হিসাবে কাজ শুরু করলে সেই শয্যা সংখ্যা একলাফে বেড়ে হবে ৮৫৩৬ টি। রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলি ছাড়াও বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালও সম্পূর্ণ রূপে কোভিড হাসপাতাল হিসাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব। রাজ্যে বর্তমানে ২৭১ টি ভেন্টিলেটর রয়েছে। স্বরাষ্ট্রসচিব তাঁর সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, রাজ্যের মোট ১৪৫৬ জন করোনা আক্রান্তের মধ্যে শুধুমাত্র ৩০ জন রোগীর ভেন্টিলেটর সহায়তার প্রয়োজন পড়েছে। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্যে আইসিইউ বেডের সংখ্যা ৮৬০ টি।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)