করোনায় মৃত্যু এসিপি পদমর্যাদার পুলিশকর্তার! ফেসবুকে শোকবার্তা কলকাতা পুলিশের

অনুজ শর্মা লেখেন, "ফের করোনা শহিদ আমার এক সহযোদ্ধা উদয় শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর শোকস্তব্ধ পরিবারের সঙ্গে কলকাতা পুলিশ সমব্যাথী।"

করোনায় মৃত্যু এসিপি পদমর্যাদার পুলিশকর্তার! ফেসবুকে শোকবার্তা কলকাতা পুলিশের

প্রতীকী ছবি।

কলকাতা:

ফের সংক্রমণে মৃত্যু হল কলকাতা পুলিশের এক করোনা যোদ্ধার। এই নিয়ে মোট নয়জন পুলিশকর্মীকে হারালো কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, এসিপি পদমর্যাদার মৃত ওই পুলিশকর্তার নাম উদয় শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ডিসি (সেন্ট্রাল) বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর প্রথম টুইট করেন পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা। সেই টুইটের নীচে নেটিজেনদের শোকবার্তা পোস্ট করতেও দেখা গিয়েছে।

অনুজ শর্মা লেখেন, "ফের করোনা শহিদ আমার এক সহযোদ্ধা উদয় শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর শোকস্তব্ধ পরিবারের সঙ্গে কলকাতা পুলিশ সমব্যাথী।" এদিকে, গোটা বিশ্বের মতোই ভারতেও এখন আতঙ্কের সবচেয়ে বড় নাম করোনা ভাইরাস। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে এদেশে বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। সকলেরই একটাই প্রার্থনা, করোনাকে রুখতে খুব তাড়াতাড়ি চলে আসুক একটি ভ্যাকসিন। ভারতে ৩ টি ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক ব্য়বহার চললেও এখনও পাকাপাকিভাবে কোনও ভ্যাকসিনেই শিলমোহর পড়েনি। ফলে চিন্তা বাড়াচ্ছে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি। তবে এর মধ্যেও আশার কথা শোনাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু। এই সংস্থার অন্যতম আধিকারিক ডেভিড নাবারো আগেই বলেছিলেন যে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে ভারতের করোনা পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। তবে তিনি একথাও বলেন যে, এরপরেই পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসবে। বাস্তবেও কিন্তু দেখা যাচ্ছে, ভারতে এখন প্রতিদিনই রেকর্ড হারে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। তবে একথাও ঠিক যে, এই রোগ থেকে মৃত্যুর হার এদেশে অনেকটাই কমে এসেছে।

বর্তমানে দৈনিক সংক্রমণের হিসাবে বিশ্বের অন্য সমস্ত দেশকে ছাড়িয়ে গেছে ভারত। প্রতিদিন যেভাবে সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়ছে তাতে খুব তাড়াতাড়িই হয়তো ব্রাজিলকে পিছনে ফেলে বিশ্ব তালিকায় দ্বিতীয় নম্বরে পৌঁছে যাবে এদেশ। এমনকী এও মনে করা হচ্ছে, বর্তমানে সংক্রমণের হিসাবে শীর্ষে থাকা আমেরিকাকেও টপকে যাবে ভারত।

তবে সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের মধ্যেও আশা জাগাচ্ছে একটি পরিসংখ্যান। তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে করোনার কারণে মৃত্যুর হার কমছে। পাশাপাশি এই রোগ থেকে সুস্থতার হারও লাগাতার বেড়ে চলেছে। বর্তমানে করোনা পুনরুদ্ধারের হার ৭৪% এরও বেশি, যা বিশ্বের অন্য দেশগুলোর তুলনায় অনেকটাই বেশি।