This Article is From Jul 02, 2018

দিবা স্বপ্ন দেখা বন্ধ করুক তৃণমূল: রাহুল সিন্হা

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কোনও বাঙালিকে দেখতে চাওয়াও তাঁর মতে তৃণমূলের 'দিবা স্বপ্ন'।

দিবা স্বপ্ন দেখা বন্ধ করুক তৃণমূল: রাহুল সিন্হা

তিনি বলেন, " তৃণমূল  নেতারা   হাস্যকর মন্তব্য করছেন

কলকাতা:

দিল্লি দখলের কথা না ভেবে তৃণমূলের উচিত বাংলার সংগঠন ধরে রাখা। এমনটাই মনে করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিন্হা।  পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কোনও বাঙালিকে দেখতে চাওয়াও তাঁর মতে তৃণমূলের 'দিবা স্বপ্ন'।  রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবিবার পুরুলিয়ার এক  সভা থেকে বলেন," আগামী লোকসভা নিৰ্বাচনে রাজ্যের 42 টি আসনই জিতবে তৃণমূল। আর এবারই বাংলা থেকে প্রধানমন্ত্রী বেছে নেওয়ার সেরা সময় ।' এই বক্তব্যেরই পাল্টা দিলেন বিজেপি নেতা। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে তিনি বলেন, " তৃণমূল  নেতারা   হাস্যকর মন্তব্য করছেন।  এসব বন্ধ করা উচিত। তৃণমূল যদি ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  প্রধানমন্ত্রী হবেন, সেটা দিবা স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই নয়। এসব না করে ওদের উচিত বাংলার সংগঠনে মনোনিবেশ করা। পরিবহণমন্ত্রী যাই বলুন না কেন, রাজ্যের ভোটাররা তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করতে শুরু করেছে।'

 বিজেপি আর তৃণমূলের এই রাজনৈতিক দ্বৈরথ শুরু হয়েছে গত কয়েক বছর ধরে। কংগ্রেস ও সিপিএমকে সরিয়ে  প্ৰধান বিরোধী দল  হয়ে উঠছে বিজেপি। তারপর থেকেই সম্মুখ সমরে নেমেছে দুপক্ষ।  গত সপ্তাহে রাজ্যে এসে তৃণমূল সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীদের  ওপর মমতা সরকার বলগাহীন সন্ত্রাস নামিয়ে আনছে এই অভিযোগ তোলেন অমিত। শুধু তাই নয় সন্ত্রাসের জবাব দিতে আগামী লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের 42 টির মধ্যে 22টি আসনে জেতার লক্ষ্যমাত্রাও স্থীর করে দেন তিনি। জানিয়ে দেন এ রাজ্যে ক্ষমতায় বিজেপিই। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবিত ফেডারেল ফ্রন্টকেও কটাক্ষ করেন বিজেপি সভাপতি। পাশাপাশি রাজ্য প্রশাসনের একাধিক কাজকর্ম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অমিত। এরই পাল্টা হিসেবে রবিবার পুরুলিয়ায় সভা করে তৃণমূল। নেতা থেকে শুরু করে মন্ত্রীরা একহাত নেন কেন্দ্রের সরকারকে। সবচেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন পরিবহণমন্ত্রী। আজ তারই জবাব দিলেন রাহুল সিন্হা। 



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদিত করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে.)

.