লকডাউন শেষে কারখানা খোলার আনন্দে চুম্বন প্রতিযোগিতা! সোশ্যালে বিক্ষোভ

সংস্থার তরফ থেকে বলা হয়েছে, ভাইরাস যাতে না ছড়ায় তার জন্যই যুগলদের মাঝে কাচের দেওয়াল ছিল।

লকডাউন শেষে কারখানা খোলার আনন্দে চুম্বন প্রতিযোগিতা! সোশ্যালে বিক্ষোভ

কারখানা খোলার আনন্দে ঠোঁটে ঠোঁটে ব্যারিকেড

করোনা লড়াইয়ে জিতে, লকডাউন পেরিয়ে ফের খুলল কারখানা। সেই আনন্দ চুম্বর প্রতিযোগিতায় চিনের একটি কারখানার কর্মীরা। সোশ্যালে সেই ভিডিও ছড়াতেই শুরু সমালোচনার ঝড়। যে মহামারীর কবল থেকে বেঁচে ফিরল দেশ, যে মহামারীর সূতিকাঘর চিন--- কী করে সেখানকার মানুষ এত সহজে ভুলে গেলেন সেসব। প্রশ্ন তুলেছেন খোদ সেদেশের বাসিন্দারাই। ইতিমধ্যেই ১০ কোটিরও বেশি বার দেখা হয়েছে ভিডিওটি।। চুম্বনের পাশাপাশি দ্রুত কারখানা খওলার জন্যেও সমালোচিত হয়েছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ।

লকডাউনে মর্নিং ওয়াকে বিরল প্যাঙ্গোলিন? পাচারের আগেই উদ্ধার

খবর, সুজহু শহরের 'ইউয়া' নামের আসবাবের কারখানায় ১০ জন দম্পতি চুম্বন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। এরপরেই সেই প্রতিযোগিতার ছবি এবং ভিডিও ব্যআপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যালে। কর্মীরা সবাই পড়ে আছেন বয়লার স্যুট। অনেকেই ঠোঁটে ঠোঁটে ব্যারিকেড করতে গিয়ে সরিয়ে ফেলেন তাঁদের মাস্ক। যদিও তাঁদের মাঝখানে ছিল কাঁচের দেওয়াল। 

সংবাদমাধ্যমে পরিবেশিত খবর অনুযায়ী, লকডাউনের বিধিনিষেধ চাপ তৈরি করেছিল সাধারণ মানুষের মনে। কর্মীদের মনেও। সেই ভার লঘু করতেই এই পদক্ষেপ নেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে সংস্থার তরফ থেকে বলা হয়েছে, ভাইরাস যাতে না ছড়ায় তার জন্যই যুগলদের মাঝে কাচের দেওয়াল ছিল। সরাসরি কেউ কারোর ঠোঁটে ঠোঁট ঠেকাননি। উপরন্তু এঁরা সবাই একে অন্যের জীবনসঙ্গী। 

লকডাউনে প্রথম জন্মদিন, কেক হাতে উপস্থিত 'পুলিশ কাকু'!

তবে এসব কথাতেও চিঁড়ে ভেজেনি। সোশ্যালে আছড়ে পড়েছে নিন্দার ঝড়। নেট নাগরিকদের দাবি, এভাবে অসাবধানতা থেকেই যে ফের মহামারী ছড়াবে না কে গ্যাপান্টি দিতে পারে। আর কবে সজাগ হবে বিশ্ব!

Click for more trending news