ভগবান রামের সঙ্গেই মা কালীর শরণ নেবে বঙ্গ বিজেপি

জয় শ্রী রাম ধ্বনির (Jai Shree Ram) পাশাপাশি এবার থেকে বিজেপি নেতা কর্মীদের মুখে শোনা যাবে জয় মহাকালী ধ্বনি

ভগবান রামের সঙ্গেই মা কালীর শরণ নেবে বঙ্গ বিজেপি

বিজেপির জয় মহা কালী ধ্বনি  ব্যবহারের নেপথ্যে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে

কলকাতা:

জয় শ্রী রাম ধ্বনির (Jai Shree Ram) পাশাপাশি এবার থেকে বিজেপি নেতা কর্মীদের মুখে শোনা যাবে জয় মহাকালী ধ্বনি। এমনই জানালেন রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় (Kailash Vijayavargiya) । এবার লোকসভা নির্বাচনে (Loksabha Elections 2019) বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ অভাবনীয় ফলাফল করেছে ৪২ টির মধ্যে ১৮ টি আসনে তারা জয়ী হয়েছে। সেই জয়ের অন্যতম কাণ্ডারী কৈলাশ।ভোট পর্ব মেটার পর এই প্রথম রাজ্য এলেন তিনি। বিজেপির রাজ্য দপ্তর মুরলীধর সেন লেনে সোমবার আসেন কৈলাস। এদিন তিনি বলেন বাংলায় আমাদের স্লোগান জয় শ্রী রামের। এর পাশাপাশি নেতাকর্মীরা জয় মা কালীও বলবেন। কারণ আমরা জানি বাংলা মা কালীর দেশ। গত কয়েকদিনে বারবার জয় শ্রীরাম ধ্বনি শুনে মেজাজ হারিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গে কৈলাশ বলেন, ''আমি বুঝতে পারছি না মমতা জয় শ্রী রাম ধ্বনি শুনে রেগে যাচ্ছেন কেন? ঈশ্বরের নাম করা অপরাধ নাকি। আমরা চাইব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এ ধরনের আচরণের ব্যাখ্যা দিক।''

ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্যালট পেপারেই ভোটের দাবি

আদতে বিজেপির জয় মহা কালী ধ্বনি ব্যবহারের নেপথ্যে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গে কোণঠাসা করতে বাঙালি ঐতিহ্যের কথা তুলে এনেছে তৃণমূল। বলা হচ্ছে জয় শ্রী রাম ধ্বনির সঙ্গে বাংলা এবং বাঙালি পরিচিত নয়। সে কারণেই জয় মা কালী ধোনির সাহায্য নিচ্ছে বিজেপি।

আপনারা সব নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না: কেন্দ্রের হিন্দি আগ্রাসন নিয়ে মমতা

চলতি বিতর্ক প্রসঙ্গে মমতা বলেন, জয় শ্রীরাম স্লোগানে তাঁর আপত্তি নেই, তবে “ধর্ম ও রাজনীতিতে মিশিয়ে পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে অশান্তি পাকাচ্ছে” বিজেপি কর্মীরা, তা নিয়ে তাঁর আপত্তি রয়েছে। ফেসবুক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “সভায় রাজনৈতিকদলগুলির স্লোগানে আমার কোনও আপত্তি নেই। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব স্লোগান আছে। আমার দলের জয় হিন্দ এবং বন্দেমাতরম, বামেদের ইনকিলাব জিন্দাবাদ, কিন্তু আমরা একে অপরকে সম্মান করি। মমতা জানান ভগবান রামচন্দ্রের নামে স্লোগানেও তাঁর কোনও আপত্তি নেই, তবে বিজেপি যেভাবে সেটার “ভুল ব্যবহার করে ধর্ম ও রাজনীতিকে মেশাচ্ছে”, তা নিয়ে তাঁর আপত্তি রয়েছে। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, “ভাঙচুর ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে ঘৃণা ছড়ানোর এটা একটা পরিকল্পনামাফিক পদক্ষেপ, আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এর বিরোধিতা করতে হবে।একজন কয়েকবার কিছু মানুষকে বোকা বানাতে পারে, কিন্তু সবসময় সবাইকে বোকা বানাতে পারে না”।

More News