সোনওয়ালকে অপমানের অপরাধে গ্রেফতার বিজেপি সোশ্যাল মিডিয়া সেলের সদস্য

অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপমানের অপরাধে অসম পুলিশ গ্রেফতার করল বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়ার এক সক্রিয় সদস্যকে।

সোনওয়ালকে অপমানের অপরাধে গ্রেফতার বিজেপি সোশ্যাল মিডিয়া সেলের সদস্য

সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী সোনওয়ালকে অপমানের অপরাধে গ্রেফতার হলেন বিজেপি আইটি-র নীতু বোরা

গুয়াহাটি, অসম:

অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালকে (Sarbananda Sonowal) সোশ্যাল মিডিয়ায় কু-মন্তব্য এবং কুরুচিকর পোস্টের জন্যে অসম পুলিশ (Assam police) গ্রেফতার করল বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়ার এক সক্রিয় সদস্যকে। গতকাল, নীতুকে গ্রেফতারের পাশাপাশি একই অপরাধে অভিযুক্ত আরও তিন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। চার জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ, ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এই পোস্টগুলি করে মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করেছে তারা। 

হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা তাঁকে অবমাননা করেছেন, দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

প্রশাসনের পক্ষ থেকে এনডিটিভি (NDTV)-কে জানানো হয়েছে, মোরিগাঁও জেলার বিজেপি আইটি সেলের সদস্য নীতু বোরাকে (Nitu Bora), মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যক্তিগত ভাবে অপমান করার জন্যই গ্রেফতার করা হয়েছে।

নীতুর পাশাপাশি মাজুলি জেলার আরেক বিজেপি আইটি সেলের সদস্য হেমন্ত বরুয়াকেও ওই একই অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার সন্ধেয় আটক করে অসম প্রশাসন। হেমন্ত শুধুই বিজেপি আইটি সেলের সক্রিয় সদস্যই নন, তিনি ওই কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রীর জনপ্রতিনিধিও।

মোরিগনের এসপি স্বপ্ননীল ডেকা জানিয়েছেন, "বুধবার রাতে বিজেপির এক সদস্য রাজু মোহান্ত নীতুমণি বোরার নামে থানায় এফআইআর দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গতকাল গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।" 

সম্প্রতি, সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পোস্টে নীতু বোরার দাবি, অসমে বসবাসকারী বহিরাগত মুসলিম অভিবাসীদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ বিজেপি সরকার। এব্যাপারে তিনি সরাসরি দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালকে। পাশাপাশি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার জন্যও তিনি দোষারোপ করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। এবং এু জন্য তিনি সর্বানন্দের জায়গায় জালুকবাড়ি বিধানসভা থেকে জিতে আসা বিধায়ক হিমন্তর বিশ্ব শর্মাকে নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে বসানোর দাবি জানান।

এদিকে নীতুর গ্রেফতারের পরেই বাক স্বাধীনতা নিয়ে দলের মধ্যে প্রশ্ন তোলেন বিজেপির আইটি সেলের সদস্যরা।

আইএএনএসের কাছে এবিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলের সোশ্যাল মিডিয়ার পক্ষ থেকে এক সদস্য ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, "এভাবে বাক স্বাধীনতা হরণ করতে পারে না দল। কেই কোনও খারাপ মন্তব্য কেরননি। হ্যআঁ, কেউ কেউ নিজের কিছু খারাপ লাগাকে প্রকাশ করেছেন মাত্র। এটুকু স্বাধীনতাও যদি না দেওয়া হয় তবে দলের ভেতরেই তৈরি হবে চরম অসহিষ্ণুতা। এটা দলের পক্ষে আরও ক্ষতির কারণ হবে। " 

তথ্য সূত্রে আইএএনএস

Listen to the latest songs, only on JioSaavn.com