This Article is From Jun 14, 2019

হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা তাঁকে অবমাননা করেছেন, দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

রাজ্যের চিকিৎসকদের ধর্মঘটে থমকে যাওয়া চিকিৎসা পরিষেবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি ওই হাসপাতালে যান।

হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা তাঁকে অবমাননা করেছেন, দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

‘‘আমি ওদের ক্ষমা করে দিয়েছি। কারণ ওরা তরুণ।’’ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

হাইলাইটস

  • মমতার অভিযোগ, তিনি হাসপাতালে গেলে তাঁকে অবমাননা করা হয়েছে।
  • তবে তিনি তাঁদের ক্ষমা করে দিয়েছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
  • সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে চিকিৎসকরা প্রতিবাদ শুরু করেছেন।
কলকাতা:

পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) অভিযোগ করলেন, তিনি বৃহস্পতিবার কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM) গেলে জুনিয়র চিকিৎসকরা তাঁর (Mamata Banerjee) সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। ওইদিন বিকেলে তিনি রাজ্যের চিকিৎসকদের ধর্মঘটে থমকে যাওয়া চিকিৎসা পরিষেবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ওই হাসপাতালে যান। তাঁর অভিযোগ, তখনই ধর্মঘটে অংশ নেওয়া হাসপাতালের চিকিৎসকদের মধ্যে থাকা একজন বহিরাগত তাঁকে অপমান করে। এক বাংলা সংবাদ চ্যানেলকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি এমার্জেন্সি বিভাগে যাই ওদের সঙ্গে কথা বলতে। কিন্তু আমি ওখানে গেলে যে ভাষা ওরা ব্যবহার করে এবং যে ভঙ্গিতে কথা বলে তাতে আমাকে অবমাননা করা হয়েছে। আমার জায়গায় অন্য কেউ থাকলে অন্য পদক্ষেপ করত।'' তিনি আরও বলেন, ‘‘কিন্তু আমি ওদের ক্ষমা করে দিয়েছি। ওরা আমার বিরোধিতা করতে পারে, আমাকে অবমাননা করতে পারে। আমি কিছু মনে করব না, কারণ ওরা তরুণ। আমি কেবল চাই ওরা কাজ শুরু করক।''

রাজ্যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরিতে বিজেপি কর্মীদের উৎসাহ দিচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক: মমতা

সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে চিকিৎসকরা প্রতিবাদ শুরু করেছেন। সোমবার রাতে এনএআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যু হলে তাঁর আত্মীয়রা দু'জন চিকিৎসকের উপরে হামলা করে। সেই কারণেই রাজ্য জুড়ে আন্দোলনে নেমেছেন চিকিৎসকরা।

গত তিন দিন ধরে বহু সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এমার্জেন্সি ওয়ার্ড, আউটডোর, প্যাথলজিক্যাল বিভাগের মতো পরিষেবা ব্যাহত রয়েছে। রাজ্যের বিরাট সংখ্যক ব্যক্তিগত চিকিৎসা পরিষেবাও বন্ধ। সব মিলিয়ে রোগীরা অত্যন্ত সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।

‘‘অত্যন্ত লজ্জিত'', ক্ষোভ উগরে দিলেন কলকাতার মেয়রের চিকিৎসক কন্যা

এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ও মেডিক্যাল সুপারিটেন্ডেন্ট তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। প্রিন্সিপাল অধ্যাপক শৈবাল মুখোপাধ্যায় ও মেডিক্যাল সুপারিটেন্ডেন্ট তথা ভাইস প্রিন্সিপাল সৌরভ চট্টোপাধ্যায় চিকিৎসা শিক্ষা অধিকর্তাকে তাঁদের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন ওই ‘প্রতিষ্ঠানের সমস্যা সমাধানে ব্যর্থতা'র কারণে।

অধিকর্তা অধ্যাপক প্রদীপকুমার দে সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ও মেডিক্যাল সুপারিটেন্ডেন্টকে দ্রুত রোগীদের স্বাভাবিক চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের জন্য একটি নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন। সমস্ত আউটডোর ও এমার্জেন্সি বিভাগে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।

ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘‘যাঁরা আউটডোর ও এমার্জেন্সি বিভাগে চিকিৎসকদের কাজ করতে বাধা দেবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।''