এনআইআরএফ তালিকার ৫০-এ বিশ্বভারতী! অবনমনের জন্য কর্মীদের দুষলেন উপাচার্য

তাঁর সাম্প্রতিক বিবৃতিতে উপাচার্য কয়েকটি প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন। আর্থিক নয়ছয় ও কর্মী বিক্ষোভের অচলাবস্থার বিষয়ে সরব হয়েছেন

এনআইআরএফ তালিকার ৫০-এ বিশ্বভারতী! অবনমনের জন্য কর্মীদের দুষলেন উপাচার্য

ফাইল ছবি।

বোলপুর (বীরভূম):

দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় অনেক নীচে বিশ্বভারতী (Visva-Bharati University)। কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অবনমনের জন্য একাংশের কর্মীকে কাঠগড়ায় তুললেন উপাচার্য (VC on NIRF rank) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর অভিযোগ, "কর্মীদের একাংশের বিশ্ববিদ্যালয়কে অপব্যবহার আর রবীন্দ্রনাথের (Rabindranath Tagore) চেতনার অবক্ষয় ঘটানো ক্রমশ নীচের দিকে ঠেলছে বিশ্বভারতীকে।" সম্প্রতি মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের (HRD Ministry) এনআইআরএফ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে। রাজ্যের যাদবপুর ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, তালিকার একদম উপরের দিকে রয়েছে। কিন্তু ৩৭ থেকে তালিকায় ৫০তম ক্রমে জায়গা হয়েছে বিশ্বভারতীর। ইংলিশ ও বাংলায় লেখা বিবৃতিতে উপাচার্যের দাবি, "২০১৬ সালে থেকে ক্রমশ নীচের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রমতালিকা। আর প্রতিবার কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। কিন্তু একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য-ব্যর্থতা সবার ওপর বর্তায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পঠনপাঠনের গুণমান ও ঐতিহ্য ধরে রাখার দায়ও সকলের।" তিনি বলেছেন, "এলাকার সকলের কাছে সোনার ডিম পাড়া হাঁস বিশ্বভারতী। পড়ুয়া, শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী, স্থানীয় ব্যবসায়ী, টোটো চালক, সাংবাদিক, সবার কাছে রুটি-রুজি। তাই এই হাঁসকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে না দিয়ে এর পরিচর্যা প্রয়োজন।"

এর আগেও একবার বিশ্বভারতীর আর্থিক মন্দা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কর্মী সংগঠনকে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন উপাচার্য। এমনকী, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা ভেন্টিলেটর থাকার মতো বলে সেবার সরব হয়েছিলেন উপাচার্য।

তবে, তাঁর সাম্প্রতিক বিবৃতিতে উপাচার্য কয়েকটি প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন। আর্থিক নয়ছয় ও কর্মী বিক্ষোভের অচলাবস্থার বিষয়ে সরব হয়েছেন। উপাচার্য বলেছেন, "আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধঃগতি সংশোধনের চেষ্টা করেছি। কড়া নিয়মানুবর্তিতা লাগু করার উদ্যোগ নিয়েছি। এর জেরে জনমানসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি কিছুটা হলেও ফিরেছে।"