This Article is From Jul 31, 2018

অসমের ঘটনা থেকে গৃহযুদ্ধ বাধতে পারে দাবি মমতার, বক্তব্য শুনে ‘স্তম্ভিত’ অমিত

দিল্লির একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্য করার অব্যবহিত পরেই জবাব দিয়েছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। তাঁর দাবি মমতার কথা শুনে তিনি স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছেন।

অসমের ঘটনা থেকে গৃহযুদ্ধ বাধতে পারে দাবি মমতার, বক্তব্য শুনে ‘স্তম্ভিত’ অমিত

আজ দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী ।

নিউ দিল্লি:

অসমের ঘটনা থেকে গৃহযুদ্ধ বাধতে পারে। রক্তের বন্যাও  বইতে পারে। এমনটাই মনে করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  দিল্লির একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্য করার অব্যবহিত পরেই জবাব দিয়েছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। তাঁর দাবি মমতার কথা শুনে তিনি স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছেন। আর কেন্দ্র যা করেছে সবটাই ভারতীয়দের অধিকার রক্ষার তাগিদে।  

নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া 40 লাখ মানুষের কথা উল্লেখ করে মমতা এদিন বলেন, ‘ ওই মানুষগুলোর এবার কী হবে? তাঁরা কোথায় গিয়ে আশ্রয় নেবেন? ’  এরপরই বিজেপিকে আক্রমণ করে তাঁর মন্তব্য, ‘ ওরা দেশকে ভেঙে টুকরো করার চক্রান্ত করেছে। অসমে যা হয়েছে তা বরদাস্ত করা যাবে না। এ থেকে গৃহযুদ্ধ বাধতে পারে। রক্তের বন্যা বইতে পারে।’  এই তালিকা যে ‘ভুলে ভরা’ তা বোঝাতে গিয়ে মমতা বলেন , দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ফাকরুদ্দিন আলি আহমেদের পরিবারের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। এরপর আর কী বলার থাকতে পারে! গোটা তালিকা থেকেই এরকম বহু মানুষের নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।   

এর কিছুক্ষণ বাদেই সাংবাদিক সম্মেলন করেন অমিত শাহ। তাঁর দাবি ভোট ব্যাঙ্ক রাজনীতির স্বার্থে গৃহযুদ্ধের কথা বলে মমতা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। আর এই গোটা ব্যাপারটাই বিজেপি সভাপতিকে স্তম্ভিত করেছে।   

নিজের বক্তব্যের সমর্থনে অমিত শাহ বলেন, ‘ভারতীয়দের স্বার্থ মাথায় রেখেই তালিকা তৈরি হয়েছে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের উচিত নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা।’

এর আগে বাংলার বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গেও তরজায় জড়িয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। কেউ অবশ্য কারও নাম করেননি। একদিন আগে দিলীপ বলেছিলেন বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে একই রকম তালিকা তৈরি হবে। আর এদিন মমতা বলেন বিজেপি কি বংলার অভিভাবক যে কথা বলছে? ওরা কোনওদিন বাংলায় ক্ষমতায় আসবে না।                             

অন্যদিকে এদিন  কেন্দ্রীয় সরকার আরও একবার জানিয়েছে এটা খসড়া তালিকা মাত্র। এর জন্য কাউকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হবে না। একই কথা জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টও। তাছাড়া 7 আগস্ট থেকে তালিকাটি প্রকাশ্যে আনা হবে। এ ব্যাপারে যাঁদের অভিযোগ আছে তাঁরা  সকলেই ওই মাসের  30 তারিখ থেকে 28 সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজেদের বক্তব্য জানাতে পারবেন বলে খবর।