Jammu & Kashmir: আংশিকভাবে ফিরছে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা, কিন্তু চালু হচ্ছে না সোশ্যাল মিডিয়া

Broadband internet in Kashmir: রাজ্যপাল পরিস্থিতির পর্যালোচনা করবেন এবং সেলফোন ইন্টারনেট পুনরুদ্ধার করার জন্যে আবেদন করবেন

Jammu & Kashmir: আংশিকভাবে ফিরছে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা, কিন্তু চালু হচ্ছে না সোশ্যাল মিডিয়া

বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর থেকে সেখানে ব্রন্ডব্যান্ড পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়

শ্রীনগর/নয়াদিল্লি:

আজই (বুধবার) কাশ্মীরে (Kashmir) আংশিকভাবে ফেরানো হচ্ছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট (Broadband Internet) পরিষেবা। গত সপ্তাহেই, এতদিন সে রাজ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কেন? জানতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তারপরেই ধাপে ধাপে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা ফেরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত ৫ অগাস্ট থেকে জম্মু-কাশ্মীরে বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপের পর সতর্কতা অবলম্বনে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই ধারা উপত্যকাতে বিশেষ মর্যাদা দিত। জানা গেছে প্রথমে মধ্য কাশ্মীর। তার ৪৮ ঘণ্টা বাদে উত্তর কাশ্মীর আর সবশেষে দক্ষিণ কাশ্মীরে ফেরানো হবে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা। এরপর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা ফেরাতে সায় দেবেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর। 

জম্মু ও কাশ্মীরে ধৃত পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে ছিল জঙ্গিরা: সূত্র

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাকস্বাধীনতা সংবিধানের ১৯ (১) (এ) ধারাকে সমর্থন করে। সরকারি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা রুখতে সেই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা ওই ধারার পরিপন্থী। গত সপ্তাহে কেন্দ্রকে ভর্ৎসনা করে স্পষ্ট করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি ব্রিটিশ আমলের ১৪৪ ধারা জারি করে বিরুদ্ধ মত পোষণের স্বাধীনতা খর্ব করার সরকারি পদক্ষেপের সমালোচনা করেছিলেন বিচারপতি এনভি রামান্নার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ।

Newsbeep

সূত্র মতে,রাজধানী শ্রীনগর সহ মধ্য কাশ্মীরে প্রথমে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা শুরুর অনুমতি দেওয়া হবে, এরপরে উত্তর কাশ্মীরে (কুপওয়াড়া, বন্দিপোরা এবং বারামুল্লা) আরও দু'দিন পরে চালু হবে ওই পরিষেবা। দক্ষিণ কাশ্মীরে (পুলওয়ামা, কুলগাম, সোপিয়ান এবং অনন্তনাগ) তার আরও দু'দিন পর চালু হবে ব্রডব্যান্ড, জানা গেছে এ কথা।

ইন্টারনেটের অধিকারও বাক স্বাধীনতারই অংশ। গত শুক্রবারই একথা জানায় সুপ্রিম কোর্ট। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রশাসনকে এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা (যার মধ্যে ইন্টারনেট পরিষেবাও রয়েছে) পুনর্বিবেচনা করতে বলেছে শীর্ষ আদালত। প্রসঙ্গত, গত অগাস্টে রাজ্যের ‘বিশেষ মর্যাদা' তুলে নেওয়ার পর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়। জারি করা হয় অন্যান্য নিষেধাজ্ঞাও। ওই দিন সুপ্রিম কোর্ট বলে, ‘‘ইন্টারনেট বন্ধ রাখার বিষয়টি অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করতে হবে। এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা একমাত্র স্বল্প সময়ের জন্য প্রয়োগ করা যেতে পারে। এবং এটি বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার বিষয়।'' জম্মু ও কাশ্মীরে জারি নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে জমা পড়া পিটিশনের প্রেক্ষিতেই ওই নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।