কানপুর যাওয়ার পথে পালানোর চেষ্টা করায় এনকাউন্টারে খতম মাফিয়া বিকাশ দুবে

Vikas Dubey Kanpur Encounter: বৃহস্পতিবার উজ্জয়নের মহাকাল মন্দিরে প্রার্থনা করার জন্যে ওই কুখ্যাত মাফিয়া সেখানে আসলে তখনই পুলিশের জালে ধরা পড়ে সে

কানপুর যাওয়ার পথে পালানোর চেষ্টা করায় এনকাউন্টারে খতম মাফিয়া বিকাশ দুবে

Reports suggest the car that had Vikas Dubey overturned and he tried to escape.

হাইলাইটস

  • পুলিশি এনকাউন্টারে মৃত্যু হল গ্যাংস্টার বিকাশ দুবের
  • মধ্যপ্রদেশে থেকে কানপুরে নিয়ে আসার সময়ই পুলিশের নাগাল গলে পালাতে চায় সে
  • তখনই পুলিশের গুলিতে খতম হয় ওই কুখ্যাত মাফিয়া
কানপুর:

মধ্যপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার (Vikas Dubey Arrest) করে কানপুরে নিয়ে আসার সময় পুলিশের নাগাল গলে পালানোর চেষ্টা করায় এনকাউন্টারে মৃত্যু হল উত্তরপ্রদেশের ত্রাস বিকাশ দুবের। জানা গেছে, যে গাড়িতে করে কুখ্যাত ওই মাফিয়াকে (Vikas Dubey) নিয়ে আসা হচ্ছিল সেটি হঠাৎ মাঝপথে উল্টে যায় এবং সুযোগ বুঝে তখনই সেখান (Kanpur Ambush) থেকে পালানোর চেষ্টা করে সে। সেই সময়ই পুলিশের চালানো গুলিতে (Vikas Dubey Kanpur Encounter) মারা যায় ওই দুষ্কৃতি। বৃহস্পতিবারই মধ্যপ্রদেশের মহাকাল মন্দির থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। গত সপ্তাহে আট পুলিশ কর্মীকে হত্যা করেছিল সে। তারপর থেকেই তাঁর খোঁজে উত্তরপ্রদেশ সহ আশেপাশের রাজ্যগুলো ছুটে বেড়াচ্ছিল পুলিশ। শেষপর্যন্ত গতকাল (বৃহস্পতিবার) উজ্জয়নের মহাকাল মন্দিরে প্রার্থনা করার জন্যে ওই কুখ্যাত মাফিয়া সেখানে আসলে তখনই পুলিশের জালে ধরা পড়ে সে। তবে পাঁচ দিনের মধ্যে কীভাবে পুলিশকে এড়িয়ে বিকাশ দুবে হরিয়ানা থেকে রাজস্থান হয়ে মধ্যপ্রদেশে যেতে পেরেছিলো, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

মধ্যপ্রদেশের মহাকাল মন্দির থেকে গ্রেফতার ৮ পুলিশ কর্মী খুনে অভিযুক্ত বিকাশ দুবে

গত শুক্রবার খুন, অপহরণ-সহ ৬০ টি মামলায় অভিযুক্ত বিকাশ দুবেকে গ্রেফতার করার জন্যেই কানপুরের চৌবেপুর এলাকার বিকরু গ্রামে বিশাল একটি পুলিশ দল অভিযান চালায়। সেই সময়েই পাল্টা আক্রমণে করে ওই মাফিয়া। তাঁর চালানো গুলিতে মৃত্যু হয় ৮ পুলিশ কর্মীর। তারপরেই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় সে। পুলিশ কর্মীদের হত্যা করে সে গা ঢাকা দিলেও তাঁর খোঁজে চিরুণি তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। এমনকী বিকাশের মাথার দাম ঘোষণা করা হয় ৫ লক্ষ টাকা।

কানপুর গ্যাংস্টার-কাণ্ডে তিন পুলিশকর্মী সাসপেন্ড, জেরা দুই ডিএসপিকে

তারপর গত মঙ্গলবার পুলিশ খবর পায় যে, দিল্লি-মথুরা হাইওয়ের উপর ফরিদাবাদের বাধকাল এলাকার একটি হোটেলে লুকিয়ে আছে বিকাশ দুবে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওইদিন রাতেই সেই হোটেলে হানা দেয় এসটিএফের দল। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের প্রায় ৩০-৩৫ জন অফিসার সাধারণ পোশাকে এই রেড চালায়। তবে পুলিশ পৌঁছনোর আগেই সেই তল্লাট থেকে গা ঢাকা দেয় ওই কুখ্যাত অপরাধী। কিন্তু বৃহস্পতিবার আর কোনওভাবেই পুলিশের জাল কেটে বেরোতে পারেনি সে।

যদিও তারপর থেকেই বিতর্ক শুরু হয় যে, আদৌ বিকাশ দুবেকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পেরেছে নাকি সে নিজেই আত্মসমর্পণ করেছিল। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তা মোহিত আগরওয়াল অবশ্য তাঁর আত্মসমর্পণের জল্পনা প্রত্যাখ্যান করে বলেন: "আমরা তাঁর বেশ কয়েকজন শাগরেদকেই ধরে ফেলেছিলাম এবং কয়েকজনকে গুলি করে মারাও হয়েছিল। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, বিকাশ দুবেও নিজের জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলো।" তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে দুবের ৫ সহযোগী এনকাউন্টারে মারা যায়।