সোমবার ৩.৩০-এ দিল্লি নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সোমবার দুপুর সাড়ে তিনটের সময় দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট (Delhi Election Dates) প্রকাশ করবে।

সোমবার ৩.৩০-এ দিল্লি নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন

২০১৫ সালে ৭০টি আসনের মধ্যে ৬৭টিতে জয়লাভ করেছিল আম আদমি পার্টি।

নয়াদিল্লি:

নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সোমবার দুপুর সাড়ে তিনটের সময় দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট (Delhi Election Dates) প্রকাশ করবে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ২০১৫ সালের নির্বাচনে বিপুল জয়ের ধারা ধরে রাখতে মুখিয়ে রয়েছে। সেবার ৭০টি আসনের মধ্যে ৬৭টিতে জয়লাভ করেছিল আম আদমি পার্টি। গত মাসেই তারা প্রচার শুরু করে দিয়েছে। উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া জানিয়েছেন, তিনি জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। এবারের নির্বাচনের জন্য দল স্লোগান দিয়েছে, ‘‘আচ্ছে বিতে পাঁচ সাল, লাগে রহো কেজরিওয়াল''। অর্থাৎ, পাঁচ বছর খুব ভাল গিয়েছে। কেজরিওয়াল আপনি কাজ করতে থাকুন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার ২০১৯ লোকসভায় জিতে ক্ষমতায় ফিরে আসার পরে ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় হারতে হয়েছে তাদের। তারপরই এবার দিল্লি নির্বাচন। গত মাসে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও কংগ্রেস জোটের কাছে হারতে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে।

গত সপ্তাহে অরবিন্দ কেজরিওয়াল NDTV-কে জানান, ‘‘দিল্লিকে পরিষ্কার করাতেই আমাদের অগ্রাধিকার।'' তিনি এও বলেন, পরিষ্কার পানীয় জল, মহিলাদের সুরক্ষা প্রদান এবং জনপরিবহনকে উন্নত করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

মুখ্যমন্ত্রী দাবি জানান‌, তাঁর সরকার সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে দিল্লির নাগরিকদের জীবন উন্নত করতে কাজ করছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর দিল্লি নির্বাচনে বিজেপির দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি জানান, কে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী সে ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। দল তাদের কৌশল অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।

দিল্লি নির্বাচনের তিন প্রধান দল কংগ্রেস, আপ ও বিজেপি। প্রতিটি দলেরই বিশেষ লক্ষ্য রয়েছে শহরের দূষণ রোধের দিকে। এদিকে ১,৭৩১টি অবৈধ কলোনিকে বৈধতা দিতে কেন্দ্রের পদক্ষেপ নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। কেবল এই ইস্যুগুলিই নয়, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনও এই নির্বাচনের একটি ইস্যু হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপের পাশাপাশি বিজেপিও গত মাসে তাদের নির্বাচনি প্রচার শুরু করে দিয়েছে। শহরের রামলীলা ময়দানে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ভাষণের মধ্যে দিয়েই নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির।