This Article is From May 31, 2020

এক্ষুণি খোলার অবস্থায় নেই, জানাল রাজ্যের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি

করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে ২৫ মার্চ প্রথম দফার লকডাউন জারি করার সময় থেকেই বন্ধ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দরজা

এক্ষুণি খোলার অবস্থায় নেই, জানাল রাজ্যের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি

শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, একসঙ্গে কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১০ জন ভক্ত যেতে পারবেন (ছবি প্রতীকি)

কলকাতা:

করোনা ভাইরাস লকডাউন (Coronavirus Lockdown) পঞ্চম দফায় পা দিয়েছে, যদিও সেক্ষেত্রে অনেক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, তারমধ্যে রয়েছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। সোমবার থেকে রাজ্যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে খোলার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, তারমধ্যেই রবিবার রাজ্যের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, প্রয়োজনীয় সমস্ত রকম সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে আরও সময় প্রয়োজন। ১ জুন রাজ্যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি খোলা হবে বলে শুক্রবার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । তবে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, একসঙ্গে কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১০ জন ভক্ত যেতে পারবেন। করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে ২৫ মার্চ প্রথম দফার লকডাউন জারি করার সময় থেকেই বন্ধ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দরজা।

পঞ্চম দফার লকডাউনেও কী কী খুলছে না দেখে নিন তালিকা

দক্ষিণেশ্বর মন্দির (Dakshineswar Temple) কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, স্যানিটাইজেশন সহ সুরক্ষার নানান ব্যবস্থা করতে তাদের আরও সময় প্রয়োজন। মন্দিরের ট্রাস্টি এবং সম্পাদক কুশল চৌধুরী বলেন, “প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে আমাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। সুরক্ষা সম্পর্কিত অনেকগুলি বিষয় রয়েছে। খোলার আগে আমাদের এই সমস্ত বিষয়গুলি তৈরি করতে হবে”।

বেলুরমঠ রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের এক মুখপাত্র বলেন, “আরও ১৫-২০ দিনের আগে মন্দিরের দরজা খোলা যাবে না। আমরা সমস্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা আলোচনা করে এবং তার ব্যবস্থা করে তবেই এ বিষয়ে পদক্ষেপ করব”।

তারাপীঠ মন্দির কমিটির সদস্য তারানাথ মুখোপাধ্যায় জানান, “আমরা ১৪ জুন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখব এবং তারপর সঠিক সিদ্ধান্ত নেব”। তিনি বলেন, “ভক্তদের জন্য মন্দির খোলার আগে আমাদের স্যানিটাইজার টানেল, থার্মাল গান, অন্যান্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে”।

অর্থনীতির বিরাট অংশ উন্মুক্ত করা হল, আরও সতর্ক হতে হবে এই সময়ে: ‘মন কি বাত'-এ প্রধানমন্ত্রী

রাজ্যের ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের একসঙ্গে ১০ জন ভক্তের ভিতরে যাওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানানো পর্যন্ত ২৬,০০০ মসজিদকে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। তাদের কথায়, “মসজিদে তিন থেকে চারজনেরই নমাজপাঠ চলবে। আরও কিছু সময় আমাদের পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আমাদের নমাজ বন্ধ করার কোনও উদ্দেশ্য নেই”।

রাজ্যের ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মহম্মদ ইয়াহিয়ার স্বাক্ষর করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মানুষ তাঁদের বাড়িতেই প্রার্থনা সারবেন। আমাদের পরিস্থিতি বোঝা প্রয়োজন”। কলকাতার আরও কিছু নামজাদা মসজিদের ইমামদের স্বাক্ষর রয়েছে ওই বিবৃতিতে।

আজ দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির ১৬৬তম প্রতিষ্ঠা দিবস, ফিরে দেখা ইতিহাস ও কিংবদন্তিকে

কলকাতার আর্কডিওসিসের ফাদার ডোমিনিক গোমস বলেন, “আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই, তবে সমস্ত সুরক্ষার নিয়মাবলী মানতে হবে। আমাদের গির্জায় একসঙ্গে ১০ জন ভক্তকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আগে সমস্ত সুরক্ষার পদক্ষেপ করতে হবে”। তিনি জানান, ভক্ত ও কর্মীদের সহায়তায় ১ জুনের মধ্যে সমস্ত পদক্ষেপ করা হয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)