ভারতে করোনার বলি ২৮, ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত ৮২৬

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের লাল তালিকাভুক্ত এলাকাগুলিতে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার

ভারতে করোনার বলি ২৮, ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত ৮২৬
নয়াদিল্লি:

ভারতে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪২০, তারমধ্যে ২৪ ঘন্টায়  মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের, বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। দেশে করোনা আক্রান্ত (COVID 19) ১২,৭৫৯ জন, ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৮২৬ জন। বুধবার দেশের ১৭০টি হটস্পট জেলার (Hotspot District) তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, তারমধ্যে রয়েছে  ৬টি মেট্রো শহর এবং বড় শহর। সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হিসেবে দেশের ১২৩টি জেলার নাম প্রকাশ করা হয়, তারমধ্যে রয়েছে দিল্লিক ৯টি জেলাই। হটস্পটের তালিকায় রয়েছে, মুম্বই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু গ্রামীণের ৯টি জেলা, হায়দরাবাদ, চেন্নাই, জয়পুর এবং আগ্রা।

দেশ বা রাজ্যের ৮০ শতাংশ সংক্রমণ যে সমস্ত এলাকায় হয়েছে সেগুলিকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেগুলিতে সবচেয়ে হারে সংক্রমিত, বা চারদিনের মধ্যে সংক্রমণের হার দ্বিগুণ, সেগুলিকেও এই তালিকায় আনা হয়েছে। 

রাজ্যে করোনায় মৃত আরও ৩, মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের লাল তালিকাভুক্ত এলাকাগুলিতে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরীক্ষা  করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। এই পরীক্ষা শুধুমাত্র করোনা আক্রান্তদের জন্য নয়। জ্বর, ঠাণ্ডা লেগে জ্বর আসা ইত্যাদি ক্ষেত্রেও পরীক্ষা করা হবে, এই ধরণের লক্ষণে মাঝেমধ্যেই করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে।

২০ এপ্রিল থেকে গ্রামীণ শিল্প ক্ষেত্র, ই-কমার্স, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। বুধবার জাতীর উদ্দেশে ভাষণে লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩ মে পর্যন্ত ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাশাপাশি একাধিক গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়, জানানো হয়, দেশের সবচেয়ে কম আক্রান্ত এলাকায় ছাড় দেওয়া হতে পারে এক সপ্তাহ পর।

‘‘জুম নিরাপদ নয়'': জনগণকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় সরকার

সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা নির্মাণ, ভবন নির্মাণের কাজে ছাড় দেওয়া হবে, এছাড়াও হার্ডওয়ার তৈরির কাজেও ছাড় দেওয়া হতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের গাইডলাইনে বলা হয়েছে, সমস্ত সামাজিক দূরত্ব বজায় বিধি রক্ষা করা হচ্ছে কিনা, তা লক্ষ্য রাখার দায়িত্ব রাজ্যের। তবে হটস্পটগুলির ক্ষেত্রে কোনও ছাড় প্রযোজ্য হবে না। ২১ দিনের লকডাউনের পরেও, ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০,০০০ ছাড়িয়েছে।