This Article is From Oct 29, 2018

অযোধ্যা মামলার শুনানি কবে জানা যাবে জানুয়ারি মাসে

জানুয়ারি মাস পর্যন্ত  পিছিয়ে গেল অযোধ্যা  মামলার শুনানি।

অযোধ্যা মামলার  শুনানি কবে  জানা  যাবে  জানুয়ারি মাসে

Ayodhya Dispute: প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ জানান এই  মামালার  শুনানির উপযুক্ত বেঞ্চ গঠন করা হবে

হাইলাইটস

  • পিছিয়ে গেল অযোধ্যা মামলার সুপ্রিম শুনানি
  • প্রধান বিচারপতি জানান মামালার শুনানির জন্য উপযুক্ত বেঞ্চ গঠন করা হবে
  • আজ তিন বিচারপতির নতুন বেঞ্চ অযোধ্যার বিতর্কিত মামলার শুনানি করে
নিউ দিল্লি:

 পিছিয়ে গেল অযোধ্যা  মামলার শুনানি। রাম জন্মভূমি- বাবরি মসজিদের বিতর্কিত জমি সংক্রান্ত মামলার  শুনানি কবে  হবে তা  জানা  যাবে নতুন বছরে।  

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ জানান এই  মামালার  শুনানির উপযুক্ত বেঞ্চ গঠন করা হবে।      

সুপ্রিম কোর্টে আজ তিন বিচারপতির নতুন বেঞ্চ অযোধ্যার বিবাদিত মামলার শুনানি করেন। নতুন বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, সঞ্জয় কিশান কৌল এবং বিচারপতি এম জোসেফ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

আজ তিন বিচারপতির নতুন বেঞ্চ অযোধ্যার বিতর্কিত মামলার শুনানি করে।  এই বেঞ্চে  আছেন   প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, সঞ্জয় কিশান কৌল এবং বিচারপতি এম জোসে। 2010 সালে এলাহাবাদ হাইকোর্ট বিবাদিত ২.৭৭ একর জমি তিনটি ভাগে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ভগবান রামলালা, নির্মোহী আখড়া এবং সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে দেওয়ায় রায়   দেয় এলাহাবাদ হাইকোর্ট।এর বিরোধিতা করে বিভিন্ন পক্ষ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়।  

শুনানি আগে হয়ে  গেল শাসক বিজেপির সুবিধা হতে পারত বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপি নিজের সমর্থকদের রামমন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে  আসছে। আর সেই সূত্র  ধরে বিজেপি চাইছে আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনের আগে রায় তাদের পক্ষে যাক।  মাস খানেক আগে 27 সেপ্টেম্বর  পাঁচ  বিচারপতিকে  নিয়ে তৈরি  সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠনের প্রস্তাব বাতিল করে  দেয় সুপ্রিম কোর্ট। 1994 সালে সুপ্রিম  কোর্ট বলেছিল নমাজ পাঠের জন্য মসজিদ আবশ্যক নয়। সেই রায়কে  পুনরায় খতিয়ে  দেখার দাবিতেই পাঁচ বিচারপতিকে সামনে রেখে  সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠনের প্রস্তাব ওঠে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সেটা  খারিজ  করে  দিয়েছে। মুসলিম সংগঠনের দাবি ছিল  মূল মামলার আগে  এই রায় নিয়ে নতুন  করে মামলা হওয়া  উচিত। কারণ এর ফলে মানলার রায় তাদের  বিপক্ষে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।   

 অন্যদিকে হিন্দু  সংগঠনের দাবি ছিল শুনানিতে দেরি করাতেই মূল মামলার আগে অন্য মামলার শুনানি করতে  বলা হচ্ছে। সেই  1992 সালে ভাঙা  হয় বাবরি মসজিদ। এরপর দীর্ঘ লড়াইয়ের পর রায় দেয় এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আর এখন মামলা পৌঁছল সুপ্রিম কোর্টে।                                                

.