This Article is From Mar 30, 2020

একদিনে ২৫! দিল্লিতে সংক্রমিতের সংখ্যা ছুঁল ৯৭

একদিনে ২৫ জন সংক্রমিতের খবর মিলল দিল্লিতে। এই বৃদ্ধির জেরে রাজ্যে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯৭।

একদিনে ২৫! দিল্লিতে সংক্রমিতের সংখ্যা ছুঁল ৯৭

বিশ্বব্যাপী সংক্রমণে মৃত কয়েক হাজার।

নয়া দিল্লি:

একদিনে ২৫ জন সংক্রমিতের (Coronavirus) খবর মিলল দিল্লিতে। এই বৃদ্ধির জেরে রাজ্যে Delhi) সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯৭। সোমবার এমন দাবি করেছে দিল্লি সরকার। রাজ্য থেকে এখনও পর্যন্ত ২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।যেখানে বিশ্বে মোট মৃতের সংখ্যা ৩৫ হাজার ছাড়িয়েছে। দিল্লির স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, নমুনা পরীক্ষার স্বার্থে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি-বাড়ি যাচ্ছেন। সন্দেহজনক হিসেবে কিংবা সংক্রমিতের সংস্পর্শে এসেছেন এমন মানুষদের তাঁরা খুঁজে বের করছেন। অনেকে আবার সচেতন নাগরিক হিসেবে হাসপাতালে যোগাযোগ করছেন। বিদেশ থেকে আসা প্রায় ৩ লক্ষ যাত্রীকে এযাবৎকাল দিল্লি বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। স্বাস্থ্যনিধি মেনে নিজে থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন প্রায় ২০ হাজার আর হাসপাতালে কোয়ারান্টাইন করে রাখা হয়েছে ১১৩৭ জনকে। এদিন জানিয়েছে ওই সূত্র।

"কোনও স্বাস্থ্যকর্মীকে হেনস্থা করা যাবে না", কড়া বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

করোনা সংক্রমণের অতিমারীতে ভারত এখনও স্থানীয় সংক্রমণের স্তরেই রয়েছে। সোমবার এমন‌ই দাবি জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এক নথি অনুসারে বলা হয়েছিল ভারত স্থানীয় সংক্রমণ ও কিছু ক্ষেত্রে গোষ্ঠী সংক্রমণের অবস্থায় রয়েছে। এই সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন‌ের উত্তরে এমনটাই জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ'-এর তরফে লব আগরওয়াল বলছেন, ‘‘আমরা কোনও ক্ষেত্রেই এটাকে গোষ্ঠী সংক্রমণ বলিনি। আমরা এখনও স্থানীয় সংক্রমণেই রয়েছি। যদি ‘গোষ্ঠী' শব্দটি ব্যবহারও করে থাকি আমরা তবে তার আলাদা কারণ আছে।'' তাঁর বক্তব্য, ‘‘দয়া করে আমাদের ‘গোষ্ঠী' শব্দটি উচ্চারণ করতে দিন। কিন্তু আপনারা যেভাবে ব্যাখ্যা করছেন সেই অর্থে নয়। আমাদের দেশ স্থানীয় সংক্রমণের স্তরে রয়েছে।'' ভারতে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ১,১০০-র কাছাকাছি পৌঁছেছে। মৃত ২৯ জন। 

"ভয় আর আতঙ্ক, ভাইরাস সংক্রমণের চেয়েও বড় সমস্যা", বললেন প্রধান বিচারপতি

রবিবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তরফে একটি নথি প্রকাশ করা হয়। তাতে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে কাউকে স্তানান্তরিত করার ক্ষেত্র নিয়ে বক্তব্য রাখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, বর্তমান ভারতের কোভিড-১৯ অতিমারীর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য। এর সঙ্গে আলাদা করে উল্লেখ করা হয় ‘স্থানীয় সংক্রমণ ও সীমিত গোষ্টী সংক্রমণ' এই শব্দবন্ধ। এর থেকেই শুরু হয় জল্পনা।

মোট চারটি পর্বের প্রথমটিতে অন্য দেশ থেকে আগত ব্যক্তিরা রোগটি বয়ে আনবেন। এক্ষেত্রে কেবল মাত্র বিদেশ থেকে আগতরাই আক্রান্ত হন।

.