ভারতের অন্যান্য অংশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকার সমস্যা কম: মুখ্যমন্ত্রী

Unemployment Rate: সারা দেশে যখন করোনা পরিস্থিতিতে বেকারত্বের হার ১১ শতাংশ, সেখানে এরাজ্যে ৬.৫ শতাংশ মানুষ বেকার, জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভারতের অন্যান্য অংশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকার সমস্যা কম: মুখ্যমন্ত্রী

West Bengal: অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ভালো, বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

হাইলাইটস

  • বেকারত্বের হিসাবে দেশের অন্যান্য অংশের তুলনায় ভালো অবস্থানে পশ্চিমবঙ্গ
  • এরাজ্যে ৬.৫ শতাংশ মানুষ বেকার, বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
  • যেখানে সারা দেশে জুন মাসে বেকারত্বের হার ১১ শতাংশ
কলকাতা:

করোনা (Coronavirus Lockdown) পরিস্থিতিতে ভারতের অন্যান্য অংশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal ) বেকার সমস্যা অনেকটাই কম, সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (CMIE) এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট তুলে ধরে শনিবার এমন দাবিই করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ওই কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান বলছে, গত জুনে যেখানে সারা দেশে বেকারত্বের হার (Unemployment Rate) বেড়ে  ১১ শতাংশে পৌঁছেছে সেখানে বাংলায় বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ, যা কিনা তূলনামূলকভাবে অনেকটাই কম। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে কোভিড -১৯ সঙ্কট এবং  ঘূর্ণিঝড় আমফানের কারণে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের মোকাবিলার জন্য তাঁর সরকার যে অর্থনৈতিক কৌশল নিয়ে পরিস্থিতিকে বাগে এনেছে তার জন্যেই রাজ্যে বেকারত্বের হার দেশের সার্বিক বেকারত্বের তুলনায় অনেকটাই কম। 

বাড়ছে সংক্রমণ! গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা আক্রান্ত ৬৬৯ জন

"আমরা # COVID19 এবং আমফানের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের মোকাবেলায় একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক কৌশল প্রয়োগ করেছি। এই কারণেই এটা দেখা গেছে যে, ২০২০ সালের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গের বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ, যেখানে সিএমআইই অনুযায়ী গোটা দেশে এই হার ১১ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে বেকারত্বের হার ৯.৬ শতাংশ এবং হরিয়ানায় ৩৩.৬ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে", শনিবার এক টুইট বার্তায় লেখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কোভিড- ১৯ এর যম 'কোভ্যাক্সিন'? ৭ জুলাই থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার শুরু

গত বুধবারই সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (CMIE) একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে যেখানে দেখা যায়, লকডাউন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার ফলে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে। এর ফলে মে মাসে যেখানে দেশের বেকারত্বের হার ছিল ২৩.৫ শতাংশ, সেখানে জুন মাসে তার তুলনায় কিছুটা উন্নতি হয়ে ওই হার এসে দাঁড়িয়েছে ১১ শতাংশে ।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)