This Article is From Feb 09, 2020

চাকরিতে সংরক্ষণ ও পদোন্নতি মৌলিক অধিকার নয়, তাই রাজ্যর কোনও দায় নেই: সুপ্রিম কোর্ট

চাকরিতে কোটা, সংরক্ষণ আর পদোন্নতি রাখতে বাধ্য নয় রাজ্য। শুক্রবার ঐতিহাসিক এই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তারা (Supreme Court) বলেছে, রাজ্যকে কোটা বা তার এক্তিয়ার রাখতে বাধ্য করা যায় না।

চাকরিতে সংরক্ষণ ও পদোন্নতি মৌলিক অধিকার নয়, তাই রাজ্যর কোনও দায় নেই: সুপ্রিম কোর্ট

চকারিতে কোটা, সংরক্ষণ আর পদোন্নতি রাখতে বাধ্য নয় রাজ্য। শুক্রবার ঐতিহাসিক এই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

হাইলাইটস

  • চাকরিতে সংরক্ষণ ও পদোন্নতি মৌলিক অধিকার না, জানাল শীর্ষ আদালত
  • এস/এসটি সম্প্রদায়ের জন্য কোটা চালু করার কথা রাজ্যকে বলতে পারে না আদালত
  • এই সংক্রান্ত উত্তরাখণ্ড হাইকোর্টের একটা রায় খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত
নয়াদিল্লি:

চাকরিতে কোটা, সংরক্ষণ আর পদোন্নতি রাখতে বাধ্য নয় রাজ্য। শুক্রবার ঐতিহাসিক এই রায় (Reservation, Promotion in Public Service) দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত বলেছে, রাজ্যকে কোটা বা তার এক্তিয়ার রাখতে বাধ্য করা যায় না। সরকারি চাকরিতে বিশেষ সম্প্রদায় বা জাতির প্রতিনিধিত্ব কম, এই দাবি তুলে রাজ্যকে বলা যায় না সংরক্ষণ চালু করতে। কারণ এগুলো একজন নাগরিকের মৌলিক (Fundamental Right) অধিকার নয়, রায়ে স্পষ্ট করেছে শীর্ষ আদালত। উত্তরাখণ্ড সরকার সে রাজ্যের হাইকোর্টের ২০১২ সালের একটা সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। সে রাজ্যের পূর্ত দফতরে সহকারী ইঞ্জিনিয়ার পদে পদোন্নতির বিরোধিতা করে সেই আবেদন। যে বিরোধ খারিজ করেছিল হাইকোর্ট।  

Corona Virus: চিনে মহামারি! করোনা ভাইরাসে মৃত বেড়ে ৮১১, আক্রান্ত ৩৭ হাজার

শুক্রবার হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণও খারিজ করে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও আর হেমন্ত গুপ্ত শুক্রবার বলেন, "এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই রাজ্য সরকার সংরক্ষণ প্রথা চালু রাখতে বাধ্য। পদোন্নতিতে সংরক্ষণ প্রথা চালু বিশেষ ব্যক্তির মৌলিক অধিকার নয়। ফলে আদালতও সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে বাধ্য করতে পারে না।"  ২০১২ সালে উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট সরকারি চাকরিতে বিশেষ পিছিয়ে থাকা সম্প্রদায়ের কর্মসংস্থান বাড়াতে কোটা চালু করতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল। পাশাপাশি পূর্ত দফতরে সহকারী ইঞ্জিনিয়ার পদে পদোন্নতির শূন্যপদ পূরণে ভবিষ্যতে এসসি/এসটি সম্প্রদায়ভুক্তদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। এমনটা বলেছিল আদালত। 

 "ঋতুমতী নাবালিকার বিয়ে বৈধ," শরিয়ত আইন টেনে রায় পাকিস্তানের এক আদালতের

শীর্ষ আদালতে আইনিজীবী কপিল সিব্বল, কলিন গঞ্জালভেজ ও দুশ্মন্ত দাভে সওয়াল করেছিলেন, সংবিধানের ধারা ১৬ (৪) এবং ১৬ (৪-এ) ধারা মেনে রাজ্যের দায়িত্ব এস/এসটি-দের সাহায্য করা। সেই সওয়ালের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, সেই ধারা মেনে সংরক্ষণ প্রথা চালুর ক্ষমতা দিয়েছিল। অবশ্যই রাজ্যের স্বল্প এক্তিয়ারের মধ্যে। সেখানে কোথাও বলা নেই, রাজ্য বাধ্য সরকারি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ রাখতেই হবে কিংবা এস/এসটি-দের পদোন্নতিতে সংরক্ষণ চালু করতে হবে। 

এর আগে ২০১৮ সালে কেন্দ্রের একটা আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ বলেছিল, সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণের সুবিধা সর্বদা সমাজের ওপরের উপরের কর্মীরা তুলতে পারে না। উপরের স্তর বলতে এসসি/এসটি সম্প্রদায়কে উল্লেখ করা হয়েছিল সেই আবেদনে।