রাজ্যসভার মার্শালদের নয়া উর্দি ঘিরে বিতর্ক, উঠল আপত্তি

মার্শালদের এই নতুন উর্দি ঘন নীল রংয়ের। কাঁধে ব্যাজ, সোনার বোতাম। মাথার টুপিটি ব্রিগেডিয়ার বা আরও উচ্চপদের সেনা আধিকারিকদের টুপির মতো।

রাজ্যসভার মার্শালদের নয়া উর্দি ঘিরে বিতর্ক, উঠল আপত্তি

বহু প্রাক্তন সেনা আধিকারিক এই নতুন উর্দির প্রতি তাঁদের অসমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

নয়াদিল্লি:

সোমবার রাজ্যসভার (Rajya Sabha) ২৫০তম অধিবেশন শুরু হওয়ার পর রাজ্যসভার সদস্যদের জন্য অপেক্ষা করে ছিল চমক। চমকের কারণ রাজ্যসভার মার্শালদের (Rajya Sabha Marshal) উর্দি (Rajya Sabha Marshals' New Uniform)। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও পাগড়ি পরিহিত চেনা পোশাকে নয়, তাঁদের দেখা গেল যে পোশাকে তা অনেকটাই সেনাবাহিনীর পোশাকের কাছাকাছি। এই পরিবর্তনে খুশি নয় সেনাবাহিনী। বহু প্রাক্তন সেনা আধিকারিক এই নতুন উর্দির প্রতি তাঁদের অসমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন সেনা প্রধান জেনারেল ভিপি মালিকও। তিনি টুইট করে এই নতুন উর্দি সম্পর্কে তাঁর মতামত জানান। তিনি লেখেন, ‘‘কোনও অ-সামরিক ব্যক্তির সেনার উর্দি নকল করে পরা বেআইনি এবং নিরাপত্তার বিপত্তিকর।'' তিনি আশা ব্যক্ত করেন, এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভিকে সিংহ একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান। তিনি জানিয়েছেন, যা হয়েছে তা বেআইনি।

“আর্থিক তছরুপ”: নির্বাচনী বন্ড নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ কংগ্রেসের

মার্শালদের এই নতুন উর্দি ঘন নীল রংয়ের। কাঁধে ব্যাজ, সোনার বোতাম। মাথার টুপিটি ব্রিগেডিয়ার বা আরও উচ্চপদের সেনা আধিকারিকদের টুপির মতো।

এই উর্দি রাজনৈতিক নেতারাও বিভ্রান্ত। বহু দলের বর্ষীয়ান নেতারা এই নতুন উর্দি, বিশেষ করে টুপি ও অন্যান্য সাজ সরঞ্জাম দেখে তাঁরা বিরক্ত।

“গভীর সন্দেহ দূর করতে হবে...” প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন মনমোহন সিং-এর

বিক্ষোভরত সদস্যদের নিম্ন কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া মার্শালদের কাজের মধ্যে পড়ে।কিন্তু উচ্চ কক্ষে তাঁদের কাজ অনেকটাই আনুষ্ঠানিক। তাঁরা সভাপতি বা মুখ্য আধিকারিকদের কাছে গিয়ে কার্যপ্রণালী শুরুর কথা জানান। এছাড়াও নথিপত্র খোলা, বন্ধ করা ইত্যাদি কাজেও তাঁরা সহায়তা করেন।

কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ এদিন সহ সভাপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডুর কাছে জানতে চান, উচ্চ কক্ষের ‘মার্শাল ল' কি পরিবর্তিত হয়েছে। তাঁর এহেন ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যে অসন্তুষ্ট হন ভেঙ্কাইয়া নাইডু। তিনি বলেন, ‘‘এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই ধরনের অপ্রাসঙ্গিক কথা বলবেন না।''

এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্যসভার ২৫০তম অধিবেশন উপলক্ষেও বক্তব্য রাখেন।

More News