This Article is From Feb 18, 2020

"কেন বিহার ...?" নীতীশ কুমারের উদ্দেশে কঠিন প্রশ্ন ছুঁড়লেন প্রশান্ত কিশোর

Prashant Kishor's Twitter: বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁচিয়ে রাখতে আদর্শগত দিক থেকে সমঝোতা করেছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, অভিযোগ প্রশান্ত কিশোরের

জেডিইউ থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে সাংবাদিকদের সামনে মুখ খোলেন Prashant Kishore

হাইলাইটস

  • নীতীশ কুমারের উদ্দেশে বেশ কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন প্রশান্ত
  • গত মাসে জেডিইউ থেকে বহিষ্কার করা হয় প্রশান্ত কিশোরকে
  • কিছুদিন আগে বিহারে "বাত বিহার কী" নামের একটি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তিনি
পটনা:

রাজনৈতিক কৌশলবিদ থেকে মূল রাজনীতির দুনিয়ায় পা রাখা প্রশান্ত কিশোরের ধারালো প্রশ্নের মুখোমুখি জেডিইউ (Janata Dal United) নেতা তথা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। কিছুদিন আগে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে জনতা দল ইউনাইটেড থেকে বহিষ্কার করা হয় প্রশান্ত কিশোরকে, তাতে কী, দল থেকে বের করে দেওয়া হলেও নীতীশকে ছাড় দিতে রাজি নন তিনি। বিহারের রাজনীতির দিকে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবার টুইটারে (Prashant Kishor's Twitter) একাধিক অস্বস্তিকর প্রশ্নে সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে (Nitish Kumar) আক্রমণ করলেন ওই ক্ষুরধার বুদ্ধির রাজনৈতিক কৌশলবিদ (Prashant Kishor)। 

বিহারে তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতির পাঠ পড়ানোর জন্যে তৎপর হয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি "বাত বিহার কী" বলে একটি নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করলেন নির্বাচনী কৌশলবিদ। দেশের রাজনীতিতে নতুন মুখেদের উঠে আসা প্রয়োজন এই লক্ষ্যে বিহারের তরুণদের সঙ্গে ওই আলাপ আলোচনা করবেন তিনি। এদিকে বিহার নির্বাচনের আগে তিনি কোনও রাজনৈতিক দল গঠন করছেন বা নতুন কোনও দলে যোগ দিচ্ছেন এই ধরণের সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিলেন প্রশান্ত কিশোর। চলতি বছরের শেষে অক্টোবর-নভেম্বর মাস নাগাদ বিহারে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

এই বছরের শেষের দিকে বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁচিয়ে রাখতে আদর্শগত দিক থেকে সমঝোতা করেছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, অভিযোগ করেন প্রশান্ত কিশোর। বিহারের উন্নয়ন নিয়ে নীতীশ কুমারের দাবিকে নস্যাৎ করে তিনি তীব্র সমালোচনা করেন।

‘‘ধন্যবাদ নীতীশ কুমার। শুভাকাঙ্ক্ষা রইল'': বহিষ্কৃত হয়ে প্রশান্ত কিশোর

"দলের (জেডিইউ) মতাদর্শ নিয়ে আমার এবং নীতীশজির মধ্যে অনেক আলোচনা হয়েছে। নীতীশ জি আমাদের সবসময় বলেছিলেন যে দল কখনই গান্ধি জির আদর্শ থেকে বিচ্যূত হতে পারে না ... তবে এখন দেখা যাচ্ছে দল (জেডিইউ) গান্ধির হত্যাকারী নাথুরাম গডসের সঙ্গে যাঁরা ছিল তাঁদের সঙ্গে রয়েছে। ... আমার মতে কখনোই গান্ধিজি এবং গডসে একসঙ্গে থাকতে পারেন না", বলেন প্রশান্ত কিশোর।

২০০৫ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বিহারে উন্নয়ন প্রায় হয়নি, এমন দাবিও করেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর এই দাবির বিরোধিতা করতে হলে নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন বিহার সরকার তথ্য প্রমাণ পেশ করুক, এমন চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দেন তিনি।

প্রশান্ত কিশোরকে জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার?

"বিহারের অগ্রগতি হচ্ছে এমন দাবি করা হলেও আমাদের দেখতে হবে যে অন্য রাজ্যের তুলনায় সেখানে কতটা অগ্রগতি হয়েছে। যদি উন্নয়ন হয়েই থাকে তবে বিহারের আজও অভাব রয়েছে ... কেন? ২০০৫ সালে এই রাজ্য যেখানে দাঁড়িয়েছিল এখনও সেখানেই দাঁড়িয়ে রয়েছে। ঝাড়খণ্ডকে বাদ দিলে বিহারই এখন ভারতের সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা রাজ্য। আমি আবার বলছি যে বিহার ২০০৫ সালে অন্য রাজ্যের তুলনায় সবচেয়ে পিছিয়ে ছিল এবং এখনও সবচেয়ে পিছিয়েই রয়েছে এই রাজ্য", বলেন প্রশান্ত কিশোর।