This Article is From Jan 05, 2020

NDTV Exclusive: আধুনিক তেজস যুদ্ধবিমান দেখে নিন এক নজরে

যুদ্ধবিমানের পুরো নকশা, দুটি ইঞ্জিন ডেক সহ যুদ্ধবিমানে পৌঁছেছিল NDTV, সেটির গবেষণা করেছে অ্যারোনটিক্যাল ডিজাইন এজেন্সি এবং হ্যাল, সরকার তাদের তহবিল দিলে কাজটি করতে পারে তারা

NDTV Exclusive: আধুনিক তেজস যুদ্ধবিমান দেখে নিন এক নজরে

এই বিকল্প নৌসেনার বিকল্প থেকে এক টন ওজন কম হবে

নয়াদিল্লি:

১২ বছর আগেই রাশিয়ায় তৈরি করা মিগ-২৯কে কে সরিয়ে তার জায়গা নিতে পারত ভারতীয় যুদ্ধবিমান তেজস (India's Tejas fighter), এই মিগ-২৯ নৌসেনার আইএনএস বিক্রমাদিত্য এবং বিক্রান্তের সঙ্গে যোগ হবে। যুদ্ধবিমানের পুরো নকশা, দুটি ইঞ্জিন ডেক সহ যুদ্ধবিমানে পৌঁছেছিল NDTV, সেটির গবেষণা করেছে অ্যারোনটিক্যাল ডিজাইন এজেন্সি এবং হ্যাল, সরকার তাদের তহবিল দিলে কাজটি করতে পারে তারা। আরও যা কিছু রয়েছে, নকশার বিকল্প নিয়েও গবেষণা করা হয়েছে। একটি এয়ারক্রাফ্ট থেকে  অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় রেইনফোর্সড ল্যান্ডিং গিয়ারের প্রয়োজন নেই, ফলে এই বিকল্প নৌসেনার বিকল্প থেকে এক টন ওজন কম হবে। 

এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত একটি সূত্র NDTV কে জানিয়েছে, “এই মোট প্রকল্পে খরচ পড়বে ১২,৭৮০ কোটি টাকার কম”, ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে এই নিয়ে চুক্তি হয়েছে, তারাই ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে।

জানানো হয়েছে, “তেজস যুদ্ধবিমানের দুটি ইঞ্জিনের বিকল্প এবং নকশা তৈরিতে খরচ পড়বে ১৩,০০০ কোটি টাকা, নৌসেনার প্রত্যেকটি যুদ্ধবিমানের জন্য খরচ পড়বে ৫৩৮ কোটি টাকা”। নৌসেনার থেকে বায়ুসেনার বিকল্প যুদ্ধবিমান তৈরিতে খরচ পড়বে কম, যা ৩৫ কোটি টাকা থেকে ৭১ কোটি টাকার মধ্যে। প্রাথমিক তহবিল দেওয়া থেকে শুরু করে এই প্রকল্পের মোট সময়সীমা ৬ বছর।

sh13rdv8প্রাথমিক তহবিল দেওয়া থেকে শুরু করে এই প্রকল্পের মোট সময়সীমা ৬ বছর

প্রকল্পের নকশা তৈরির বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তেজস যুদ্ধবিমানের আগের চেহারা নিয়ে গবেষণা থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে “খুব সহজেই” নতুন দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট তেজসের বিকল্প তৈরি করতে পারবেন তারা। আগামী কয়েকসপ্তাহেই এই পুরানো নকশার যুদ্ধবিমান আইএনএস বিক্রমাদিত্যের সঙ্গে যু্ক্ত হবে। পুরানো নকশার এই তেজস তৈরি করা হয়েছে  আমেরিকার F404-GE-IN20 টার্বোফ্যান ইঞ্জিনের মাধ্যমে, অন্যান্যের সীমিত সংখ্যায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রত্যেকটি নৌসেনার যুদ্ধবিমান তৈরির মতো ক্ষমতাসম্পন্ন নয়। অপেক্ষাকৃত বড় দুই ইঞ্জিনের তেজসে এবার থেকে General Electric F414 ইঞ্জিন যুক্ত থাকবে এবং আরও অত্যাধুনিক অস্ত্র যোগ করা যাবে এবং বেশী দূরেও লক্ষ্য করা যাবে। এছাড়াও আরব সাগর ও বঙ্গপোসাগরে উড়ানের সময় বা নামার সময় ভিন্ন বা প্রতিকূল আবহাওয়াতেও পাইলের পক্ষে নিরাপদ দূরত্ব বজায় থাকবে দুই ইঞ্জিনে চাপের ফলে।

s77misbgএক ইঞ্জিনের নৌসেনার প্রোটোটাইপ তেজস খুব শীঘ্রই আইএনএস বিক্রমাদিত্যে পরীক্ষা করা হবে.

এগুলির ওজন হবে ২৩ টন, নৌসেনার দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট যুদ্ধবিমানগুলি উল্লেখযোগ্যভাবে তেজস Mk-1 এর থেকে ১৩.৫ টন হাল্কা হবে, এই যুদ্ধবিমানগুলি ভারতীয় বায়ুসেনার স্কোয়াড্রন সার্ভিস এবং ২০৩০ এ ভারতীয় বায়ুসেনায় যুক্ত হতে যাওয়া ১৭.৫ টনের তেজস Mk-2 এর থেকেও হাল্কা ওজনের হবে। যুদ্ধবিমান MiG-29K, আইএনএস বিক্রমাদিত্যের মাপের হবে, এবং ৯ টন ওজনের অস্ত্র বহন করতে পারবে। একটির ফোল্ডিং ডানা থাকবে, ফলে জায়গাও বাঁচাবে। এগুলির গতি হবে ঘন্টায় ২,০০০ কিলোমিটারের কম।.

 

t1kc7f2যুদ্ধবিমান MiG-29K, আইএনএস বিক্রমাদিত্যের মাপের হবে, এবং ৯ টন ওজনের অস্ত্র বহন করতে পারবে

নৌসেনার দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট যুদ্ধবিমান বা বায়ুসেনার ওমনি রোল যুদ্ধবিমান, দুটিরই থাকবে একাধিক সহজাত সেন্সর, এবং অ্যাভিওমিক্স, যেটির এখন আরও উন্নত স্তরে রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে একটি সক্রিয় ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড রেডার, যেটি একসঙ্গে বায়ুতে বা আকাশে টার্গেট কে ট্র্যাক করার পাশাপাশি সমুদ্র বা স্থলেও নির্ভুলভাবে করতে পারবে।  সমস্ত যুদ্ধবিমানই তৈরি করা হবে ভারতীয় ডেকা লিঙ্কে এবং যোগাযোগ পদ্ধতিতে, যার ফলে কোনও মিশনের সময় সেগুলি জটিল সেন্সর তথ্য বিনিময় করতে পারবে।  ভারতীয় অস্ত্র সহ সেটিতে থাকবে অ্যাস্ট্রা এয়ার টু এয়ার মিশাইল, ইতিমধ্যেই সেটির পরীক্ষা করা হয়েছে।.

 

a0t50kqভারতীয় অস্ত্র সহ সেটিতে থাকবে অ্যাস্ট্রা এয়ার টু এয়ার মিশাইল, ইতিমধ্যেই সেটির পরীক্ষা করা হয়েছে.

নকশার বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, তেজসের কোনও অংশই এখন আর নৌসেনা বা বায়ুসেনার বর্তমানে যেগুলি রয়েছে, সেগুলির অংশ নয়। তাঁদের কথায়, “২০৩০ থেকে ২০৫০ এর মধ্যে ৭৫০ এরও বেশী যুদ্ধবিমানের বিকল্প প্রস্তত করতে হবে”। ২০৪০ এর মধ্যে, সুখোই ৩০এমকেআই সহ ভারতীয় বায়ুসেনায় থাকা একাধিক যু্দ্ধবিমানের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। আরও বড় প্রস্তুতিতে, তেজসের দুই ইঞ্জিনের বিকল্প, নকশা তৈরির বিশেষজ্ঞদের অনুমান, যেহেতপ তাঁরা একসঙ্গে নকশা এবং তৈরির কাজ করছেন, ফলে ধীরে ধীরে করা হবে। যদি তহবিল ঠিক থাকে, তাহলে ২০৪০ এ সেগুলিকে কাজে লাগানো যাবে বলে মনে করছে অ্যাডভান্স কমব্যাট এয়ারক্রাফট।