কোভিড- ১৯ এর যম 'কোভ্যাক্সিন'? ৭ জুলাই থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার শুরু

Covaxin: করোনাকে রুখতে ভারতে ইতিমধ্যেই আবিষ্কার করা হয়েছে ভ্যাকসিনটি, দেশীয় সংস্থা ভারত বায়োটেক এটি তৈরি করেছে, ১৫ অগাস্ট থেকে বাজারে মিলবে এই ওষুধ

কোভিড- ১৯ এর যম 'কোভ্যাক্সিন'? ৭ জুলাই থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার শুরু

Coronavirus Vaccine: ভারত বায়োটেক ICMR এর সাহায্যেই তৈরি করতে পেরেছে এই Covaxine

হাইলাইটস

  • 'ভারত বায়োটেক' সংস্থার দাবি করোনাকে তাড়ানোর ভ্যাকসিন পেয়ে গেছে তারা
  • ৭ জুলাই থেকে দেশে পরীক্ষামূলকভাবে এই ভ্যাকসিনের প্রয়োগ শুরু হবে
  • পরীক্ষায় সাফল্য মিললে ১৫ অগাস্ট থেকেই বাজারে মিলবে 'কোভ্যাক্সিন'
নয়া দিল্লি:

দেশের স্বাধীনতা দিবসেই কি দেশে করোনা (Coronavirus India) মুক্ত অভিযানের সূচনা হবে? শোনা যাচ্ছে আগামী ১৫ অগাস্টেই নাকি ভারতে প্রস্তুত করা করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনটি (Coronavirus Vaccine) সর্বস্তরে চালু করা হতে পারে। 'ভারত বায়োটেক' (Bharat Biotech) নামে একটি দেশী সংস্থা 'কোভাক্সিন' (Covaxin) নামে এই প্রতিষেধকটির ব্যবহার শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ৭ জুলাই থেকে মানব শরীরে এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু করা হবে, গোটা জুলাই মাস ধরেই নাকি চলবে এর ক্লিনিকাল ট্রায়াল। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে জুলাইয়ের মধ্যেই এই সংক্রান্ত সমস্ত পরীক্ষানিরিক্ষা সম্পন্ন করা যায়।

দেশে ৬ লাখের উপর করোনা আক্রান্ত,মৃত ১৭,৮৩৪ জন, তবে সুস্থতার হার ৫৯.৫%

এই ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে হায়দরাবাদের ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা 'ভারত বায়োটেক' প্রস্তুত করেছে। কিছুদিন আগেই ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার (DCGI) তরফে এই সংস্থাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে ভারতে তৈরি প্রথম কোভিড ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় দফার হিউম্যান ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু করার। আইসিএমআরের মহানির্দেশক ডঃ বলরাম ভার্গব একটি বিভাগীয় চিঠিতে জানিয়েছেন যে, আগামী ৭ জুলাই থেকে মানব দেহে এই ভ্যাকসিনের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নিয়ে পরীক্ষা করা শুরু হবে। যদি সব কিছু ঠিকঠাক থাকে তবে মনে করা হচ্ছে যে আগামী ১৫ অগাস্ট থেকেই এটি বাজারে মিলবে। ইন্ডিয়া বায়োটেক এবং আইসিএমআর যৌথপ্রচেষ্টায় এই ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে।

করোনা আক্রান্ত সন্দেহে শেষকৃত্যে নারাজ, পচন রুখতে আইসক্রিম রাখার বাক্সে রাখতে হল দেহ

৩০ জুন প্রথম ভারত সরকার দেশে তৈরি কোভিড -১৯ কে প্রতিরোধকারী ভ্যাকসিনটির মানব দেহে পরীক্ষা চালানোর অনুমতি দিয়েছিল। ভারত বায়োটেকের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে যে, আইসিএমআর এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজির- সহযোগিতায় এই ভ্যাকসিন তৈরি করেছে তারা। এই ভ্যাকসিনের মানব দেহে পরীক্ষার জন্যে অনুমতিও দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া।

তবে শুধু 'ভারত বায়োটেক' সংস্থাটিই যে মানব দেহে 'কোভাক্সিন'-এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমতি পেয়েছে তা নয়, এই সংস্থাটি ছাড়াও জাইডাস ক্যাডিলা  নামে আরেকটি সংস্থা কোভিড -১৯-এর জন্য তৈরি একটি প্রতিষেধক টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্যে অনুমতি পেয়েছেন। ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা জাইডাস ক্যাডিলাকে সিওভিড -১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ধাপ এবং দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা চালুর অনুমতি দিয়েছে।