সুরাতে পুলিশ-পরিযায়ী সংঘর্ষ, শ্রমিকদের পাথর ছোড়া থামাতে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস

গুজরাতের সুরাটে (Surat) পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে পরিযায়ী শ্রমিকদের (Migrant Labourers)। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে।

Coronavirus lockdown: গুজরাতের সুরাতে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধল পুলিশের।

New Delhi:

গুজরাতের (Gujarat) সুরাটে (Surat) পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধল পরিযায়ী শ্রমিকদের (Migrant Labourers)। ওই শ্রমিকরা তাঁদের রাজ্যে ফেরার দাবি জানিয়ে পথে নামলে ওই সংঘর্ষের সূচনা হয়। এই নিয়ে এই ধরনের চারটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল সুরাতে। প্রসঙ্গত, হিরে ও বস্ত্রশিল্পে কাজ করার জন্য বহু শ্রমিক সারা দেশ থেকে সুরাতে আসে। সোমবার বরেলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের একাংশ একটি বাজার অঞ্চলের বাইরে জমায়েত করে। এরপরই পুলিশ সেখানে উপস্থিত হলে শ্রমিকরা পুলিশের উদ্দেশে পাথর ছুড়তে থাকে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। এছাড়াও সুরাতের পালানপুর পাটিয়া অঞ্চলেও শ্রমিকরা প্রতিবাদ প্রদর্শন করে বলে জানা গিয়েছে।

রাজ্যে মদের দোকান খোলায় অনুমতি রাজ্য সরকারের, মাস্ক ছাড়া মদ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা

গত সপ্তাহেও সুরাতের হিরে শ্রমিকরা একটি বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ ছিল, লকডাউনের সময়েও তাঁদের কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁদের কাছে পেট ভরানোর মতো খাবারও নেই একথা জানিয়ে তাঁদের দাবি, কর্তৃপক্ষ তাঁদের ফেরার বন্দোবস্ত করুক।

গত মার্চে সুরাতের হিরে ও বস্ত্র ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সারা বিশ্বে লকডাউনের কারণে ব্যবসায় মন্দা চলার ফলে সুরাত কাজ বন্ধ করতে রাজি হয়নি। প্রসঙ্গত প্রায় ২০ লক্ষ শ্রমিক কাজ করেন এই দুই ক্ষেত্রে। ব্যবসায় মন্দা চললে বিপুল সংখ্যক মানুষের বেকার হয়ে যাওয়ারও সম্ভাব‌না তৈরি হয়েছে।

মদের দোকানের সামনে লাইন কালীঘাটে, সরাতে মৃদু লাঠিচার্জ পুলিশের

১০ এপ্রিল রাস্তায় নেমে পড়েন হাজার হাজার শ্রমিক। গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁরা ভাঙচুরও করেন তাঁরা। এরপর ১৫ এপ্রিল লকডাউন বাড়ানোর ঘোষণা হলে শহরের ভারাচ্চা এলাকায় পথ অবরোধ করেন শ্রমিকরা।

দেশে করোনা সংক্রমণের নিরিখে দু'নম্বরে রয়েছে গুজরাত। এখনও পর্যন্ত সেখানে ৫,৪২৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ১,০৪২ জন সুস্থ হয়ে উঠলেও ২৯০ জন মারা গিয়েছেন।

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজেদের রাজ্যে ফেরত পাঠা‌নোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। গুজরাতও সেখানে আটকে পড়া শ্রমিকদের ফেরত পাঠাচ্ছে বিশেষ ট্রেনে।