‘‘উত্তরপ্রদেশের থেকে শিক্ষা নিন’’: নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ বিজেপি নেতার

যদিও পোস্টে কোথাও নীতীশ কুমারের নাম নেননি সঞ্জয়, তবুও তাঁর আক্রমণের কেন্দ্রে যে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীই রয়েছেন তা বুঝতে কারও অসুবিধা হচ্ছে না।

‘‘উত্তরপ্রদেশের থেকে শিক্ষা নিন’’: নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ বিজেপি নেতার

বিজেপির সঙ্গে নীতীশ কুমারের সংঘাত আরও একবার প্রকাশ্যে।

হাইলাইটস

  • করোনা প্রসঙ্গে নীতীশ কুমারকে আক্রমণ বিজেপি নেতার
  • করোনা মোকাবিলায় উত্তরপ্রদেশের থেকে শিখুক বিহার, কটাক্ষ তাঁর
  • এর আগেও বিজেপির সঙ্গে নীতীশ কুমারের দলের সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে
পটনা:

জোটসঙ্গী বিজেপির (BJP) সঙ্গে বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar ) সংঘাত অব্যাহত। এবার সেই সংঘাত আরও একবার প্রকাশ্যে এল। এক বিজেপি নেতা করোনা (Coronavirus) সঙ্কট নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় নীতীশ কুমারের সমালোচনা করলেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানো থেকে লকডাউন ঠিকমতো প্রয়োগ করা বিবিধ বিষয়ে নীতীশ কুমারের ব্যর্থতার অভিযোগ করলেন তিনি। এদিকে জেডিইউ তথা জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে মনে করা হচ্ছে, বারবার যে কোনও সমস্যার সময় বিরোধী দলগুলির মতোই মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনায় মুখর হচ্ছে গেরুয়া শিবিরও। বিহারের বিজেপি মুখ্য সঞ্জয় জয়সওয়াল‌ এক ফেসবুক পোস্টে বিহার সরকারের সমালোচনা করলেন। প্রসঙ্গত, বিহারের রাজ্য সরকারের অংশীদার বিজেপিও।

দেশের কোন ২০ টি শহরে মোতায়েন জনস্বাস্থ্য দল, থাকবে কেন্দ্রের সরাসরি নজর?

সঞ্জয়ের অভিযোগ, লকডাউনের তৃতীয় পর্যায়ের বিধিনিষেধ সম্পর্কে অস্বচ্ছতা ও পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরার ট্রেনের বিস্তারিত তথ্য দিতে ব্যর্থ নীতীশ কুমার। তিনি আরও জানান, বিহারের উচিত উত্তরপ্রদেশের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া।

রবিবারের ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘বিহারের সমস্যা হল সরকারি ভাবে কেউ এগিয়ে এসে সংবাদমাধ্যমকে জানাচ্ছেন না কোন জোনে কোন ধরনের দোকান খোলা থাকবে কিংবা বিহারে কোন ট্রেনগুলি আসবে। লোকেরা যা খুশি পোস্ট করে চলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সকলেই অনিশ্চিয়তার মধ্যে রয়েছে। রাজ্য সরকারের উচিত উত্তরপ্রদেশের থেকে শিক্ষা নেওয়া। সেখানে মুখ্য সচিব সংবাদমাধ্যমকে সব জানিয়ে দিয়েছেন। আমি সরকারের সঙ্গে কতদা বলব।''

গ্রিন ও অরেঞ্জ জোনে বিধিনিষেধে ছাড় দেওয়া নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে রাজ্য সরকার

যদিও পোস্টে কোথাও নীতীশ কুমারের নাম নেননি সঞ্জয়, তবুও তাঁর আক্রমণের কেন্দ্রে যে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীই রয়েছেন তা বুঝতে কারও অসুবিধা হচ্ছে না।

নীতীশ কুমার রাজ্যে যে পরিযায়ীরা অন্য রাজ্যে আটকে রয়েছেন, তাঁদের ফেরানোর ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এতে লকডাউনেরই বিধিভঙ্গ হচ্ছে। বহু রাজ্যই এর আগে লকডাউনের মধ্যে কোটায় আটকে থাকা পড়ুয়াদের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হলেও নীতীশ তাতে আগ্রহ দেখাননি।

কেন্দ্রের তরফে পরিযায়ীদের ফেরাতে বিশেষ ট্রেনের কথা ঘোষণা করলেও নীতীশ কুমার জানিয়েছেন, যাঁরা বিহারে ফিরবেন তাঁদের কোয়ারান্টাইন করে রাখা সমস্যার হবে। সূত্রানুসারে, এই সঙ্কটের মুহূর্তে হাজার হাজার পরিযায়ীকে ফেরাতে বিহার সরকারের আপত্তির কারণ নীতীশ কুমারের আশঙ্কা এই পরিস্থিতিকে তাঁরা সামলাতে পারবেন না।