This Article is From Aug 20, 2019

বেড নেই, তাই জোর করে গর্ভবতীর সন্তান প্রসব হাসপাতালের মেঝেয়!

হাসপাতালে উপস্থিত ডাক্তার-নার্স সবাই মুখ ফিরিয়ে নেন তাঁর থেকে। মুখের ওপর বলে দেন, হাসপাতালে বেড নেই।

বেড নেই, তাই জোর করে গর্ভবতীর সন্তান প্রসব হাসপাতালের মেঝেয়!

বেডের অভাবে সন্তান প্রসব হাসপাতালের করিডোরে!

লখনৌ:

প্রসব যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে রবিবার ডাক্তারবাবুদের কাছে উপস্থিত হয়েছিলেন আসন্নপ্রসবা। সোজা হয়ে দাঁড়াতেও পারছিলেন না। কিন্তু হাসপাতালে উপস্থিত ডাক্তার-নার্স সবাই মুখ ফিরিয়ে নেন তাঁর থেকে। মুখের ওপর বলে দেন, হাসপাতালে বেড নেই (No Bed)। কোনও উপায় না দেখে হাসপাতাল করিডোরেই শুয়ে পড়েন তিনি। সেখানেই জন্ম দেন সন্তানের (Forced To Give Birth)। চিকিৎসকদের এই অপরাধ এবং অমানবিক আচরণের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন অনেকেই। তাঁদেরই একজন পুরো ঘটনা মোবাইলে তুলে পাঠিয়ে দেন স্থানীয় সংবাদদাতাকে। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসে সেখানকার রাজনৈতিক মহল থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জীবনদাতাদের এহেন অমানবিকতায় নিন্দায় মুখর হন সবাই। 

রক্ত দিল না ব্লাড ব্যাঙ্ক! রক্তের অভাবে শিশুমৃত্যুর অভিযোগ

এমন ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের ফারুকাবাদ জেলার অন্যতম সরকারি হাসপাতাল রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে (Uttar Pradesh Farrukhabad Hospital Corridor)।

প্রত্যক্ষদর্শীর তোলা মোবাইলে দেখা গেছে, হাসপাতালের করিডোরে যখন প্রসব করেন ওই মহিলা, তখন রক্তে ভেসে যাচ্ছে চারপাশ। একটু দূরে শুয়ে সদ্যোজাত। তাকে জড়ানো একটুকরো কাপড়ও রক্তে ভেজা। কিছুক্ষণ পরেই সেখানে দেখা যায় প্রসবার আত্মীয়াকে। তিনি ভালো কাপড়ে জড়িয়ে নেন শিশুটিকে। এই ছবি সোশ্যালে ছড়িয়ে পড়তেই নাকি তাড়াহুড়ো করে মহিলাকে নিয়ে যাওয়া হয় লেবার রুমে। কিন্তু ততক্ষণে তিনি সন্তান প্রসব করে ফেলেছেন।

এরপরেই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মণিকা রানি তদন্তের নির্দেশ দেন গোটা ঘটনার। এবং বলেন, "ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। যদি কেউ দোষী সাব্যস্ত হয় তবে আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব।"

প্রাক্তন সাংসদদের সাতদিনের মধ্যে বাংলো খালির নির্দেশ

প্রসঙ্গত, ২০১৭-য় ওই হাসপাতালেই এক মাসে ৪৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। তার আগের দিন উত্তর প্রদেশের গোরখপুর হাসপাতালে ওষুধ এবং অক্সিজেনের অভাবে মারা গেছিল এক শিশু। যদিও এই ঘটনা অস্বীকার করা হয় সরকার পক্ষ থেকে।