বাংলাদেশের রফতানিকারীদের বিক্ষোভে বেশ কয়েকঘণ্টা বন্ধ পেট্রাপোল সীমান্ত

India-Bangladesh: বাংলাদেশ বুধবার সকালে সেদেশে রফতানি করতে দেবে না বলে দাবি তুলেছিল যেহেতু তাদের দেশ থেকে কোনও পণ্য ভারত আমদানি করা হচ্ছে না

বাংলাদেশের রফতানিকারীদের বিক্ষোভে বেশ কয়েকঘণ্টা বন্ধ পেট্রাপোল সীমান্ত

Petrapole Border: পেট্রাপোল সীমান্তে বন্ধ করে দেওয়া হল পণ্য রফতানি (প্রতীকী চিত্র)

হাইলাইটস

  • পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে রফতানি করায় সমস্যা
  • বাংলাদেশের দাবি, সেদেশ থেকেও পণ্য আমদানি করতে হবে ভারতকে
  • সমস্যার সমাধানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপের দাবি
কলকাতা:

বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে কোনও পণ্য ভারতে আমদানি না করা হলে, ভারত (India) থেকেও কোনও পণ্য সেদেশ রফতানি করা যাবে না, এই যুক্তিতে পেট্রাপোল সীমান্তে (Petrapole Border) ট্রাক আটকে দিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখালেন হাসিনার দেশের ব্যবসায়ীরা। পরে দুই দেশের স্টেকহোল্ডালদের মধ্যে আলোচনার পর শেষপর্যন্ত সন্ধের দিকে পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) কিছু ট্রাক বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনের পূর্বাঞ্চলের সভাপতি সুশীল পাটোয়ারী পিটিআইকে বলেন, "বাংলাদেশ বুধবার সকালে সেদেশে রফতানি করতে দেবে না বলে দাবি তুলেছিল যেহেতু তাদের দেশ থেকে কোনও পণ্য ভারত আমদানি করা হচ্ছে না। তবে বৈঠকের পরে সেই অচলাবস্থার অবসান ঘটেছে বলেই মনে হচ্ছে, ভারতের পক্ষ থেকে ৫০ টি ট্রাক সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে গেছে"।

করোনা আক্রান্ত সন্দেহে শেষকৃত্যে নারাজ, পচন রুখতে আইসক্রিম রাখার বাক্সে রাখতে হল দেহ

যদিও বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সচিব সাজিদুর রহমান হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, "আমরা বৃহস্পতিবার থেকে পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে কোনও ট্রাক বেনাপোল সীমান্তে অতিক্রম করতে দেব না। ভারত আমাদের পণ্য আমদানি করা ফের শুরু না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।" তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশ ৭ জুন থেকে ভারতীয় পণ্য আমদানি করে আসছে।"

"মানুষকে বিপদে ফেলছে আপনার আচরণ", মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি বিজেপি নেতার

আমদানি-রফতানি নিয়ে এই সমস্যার জেরে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের রফতানিকারকরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন।

"মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্প সহ ভারতীয় নির্মাতারা প্রয়োজনীয় সরবরাহ করতে পারছে না যথেষ্ট কাঁচামালের অভাবে কারণ বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানির অনুমতি মেলেনি। কিন্তু বাংলাদেশ যেহেতু ভারতীয় পণ্যগুলি সেদেশে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে, তাই বাণিজ্যক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য তাদের দেশ থেকেও পণ্য আমদানি করা প্রয়োজন। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ৫০০ রও বেশি ট্রাক বেনাপোল সীমান্তে ভারতে প্রবেশের জন্য অপেক্ষা করছে", মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে এই দরবারই করেছেন পাটোয়ারী।

করোনা আবহে লকডাউনের ফলে পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে দীর্ঘদিন বাণিজ্যিক লেনদেন বন্ধ ছিল। পরে যদিও ৭ জুন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেলে চালু হয়েছিল রফতানি। ঠিক হয়েছিল, প্রতিদিন ভারত থেকে ৫০ টি করে গাড়ি পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে যাবে। কিন্তু বুধবারের এই বিক্ষোভের ফলে এখন এই রফতানি বাণিজ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)