"ওঁর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানোর কোনও ইচ্ছে নেই", রাজ্যপালের বিষয়ে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

West Bengal: করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে অনলাইন বৈঠক ডাকেন জগদীপ ধনখড়

Jagdeep Dhankhar: রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থাকে "রাজনৈতিকভাবে খাঁচাবন্দি করা হচ্ছে", বলেন রাজ্যপাল

হাইলাইটস

  • রাজ্যপালের সঙ্গে ফের ঝামেলায় জড়াতে চান না, বললেন শিক্ষামন্ত্রী
  • এর আগে উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করতে চেয়ে ব্যর্থ হন জগদীপ ধনখড়
  • তারপরেই রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যপাল
কলকাতা:

পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal government) অবশ্যই রাজ্যপালকে (Jagdeep Dhankhar) সর্বোচ্চ সম্মান দেয় এবং চলতি করোনা ভাইরাস সংকটের মধ্যে "ওঁর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানোর কোনও ইচ্ছে নেই", বললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এর আগে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বলেন, রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থাকে "রাজনৈতিকভাবে খাঁচাবন্দি করা হচ্ছে"। তাঁর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই ওই কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী (Partha Chatterjee)। এর আগেও রাজ্যপাল ধনখড়ের সঙ্গে রাজ্য সরকারের ঝামেলার ছবি দেখেছে রাজ্যবাসী। কিন্তু এবারের ঝামেলার সূত্রপাত পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে। গত বুধবার করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে অনলাইন বৈঠক ডেকেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

আজই উচ্চমাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ, রেজাল্ট জানা যাবে অনলাইনে

কিন্তু দেখা যায়, তাঁর ডাকা ওই বৈঠকে মাত্র একজন উপাচার্য যোগ দেন, বাকিরা বৈঠকে অনুপস্থিত থাকেন। এই ঘটনাতেই বেজায় চটেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, "আমি দেখতে পাচ্ছি যে পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থাকেও রাজনৈতিক খাঁচাবন্দি করে দেওয়া হচ্ছে। আমি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলির বর্তমান পরিস্থিতি জানার জন্যে উপাচার্যদের নিয়ে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তাঁরা সেই বৈঠকে যোগ দেননি",  বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এবিষয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যপাল।

বাতিল হওয়া পরীক্ষাগুলোয় কীসের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে নম্বর, জেনে নিন

Newsbeep

যদিও রাজ্যপালের এই কথার জবাবেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, বর্তমানের কঠিন পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের সঙ্গে "রাজনীতিতে জড়াতে চান না বা কথা বাড়াতে চান না"। তিনি একথাও বলেন, "আমরা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে তাঁর মূল্যবান পরামর্শ শুনতে চাই তবে তিনি যেন তা সংবিধানের এক্তিয়ারের মধ্যে থেকেই করেন।"

"রাজ্যপাল শিক্ষার্থীদের ভালোর জন্য কাজ করলে আমাদের কেন সমস্যা হবে, তবে তিনি উচ্চশিক্ষা বিভাগকে না জানিয়ে উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক ডেকেছিলেন। এর আগে রাজ্য বিধানসভায় যে আইন পাস হয়েছিল, এই সিদ্ধান্ত তার বিরোধী", বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

রাজ্যপালের বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘‘সব কিছুই রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছিল। এখন মনে হচ্ছে রাজ্যপাল মায়াকান্না কাঁদছেন। বিধি অনুযায়ীই উপাচার্যরা ভার্চুয়াল বৈঠকে থাকেননি।'' এর সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ‘‘রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কথা বলছেন রাজ্যপাল।'' এর আগেও পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে "বিজেপির লোক" বলে উল্লেখ করেছেন।