This Article is From Aug 30, 2019

‘আদালতে আনুন শিক্ষার্থীকে’, উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

বিজেপির নেতা স্বামী চিন্মায়ানন্দের বিরুদ্ধে যুবতীকে অপহরণের অভিযোগ। সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়টি নিজের দায়িত্বে নেওয়ার আগেই উদ্ধার ওই যুবতী।

‘আদালতে আনুন শিক্ষার্থীকে’, উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

স্বামী চিন্মায়ানন্দের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, আদালতে বললেন বিজেপি নেতার আইনজীবী।

নয়াদিল্লি:

রাজস্থানের (Rajasthan) থেকে উদ্ধার উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) শাহজাহানপুরের (Shahjahanpur)  নিখোঁজ শিক্ষার্থী। সে বর্তমানে কোথায় রয়েছে ৫ মিনিটের মধ্যে আদালতে জানাতে হবে উত্তরপ্রদেশ সরকারকে। নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি এদিন উত্তর প্রদেশের আইনজীবীকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীর সঠিক অবস্থান জিজ্ঞাসা করুন। আদালতে উপস্থিত হতে তার কত সময় লাগতে পারে। ৫ মিনিটের মধ্যে আদালতকে জানাতে হবে।' জবাবে রাজ্য জানায়, ফতেপুর সিক্রিতে রয়েছে শিক্ষার্থী। সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছাতে লাগবে প্রায় আড়াই ঘন্টা। বিজেপির নেতা স্বামী চিন্মায়ানন্দের (BJP's Swami Chinmayanand) বিরুদ্ধে ওই পড়ুয়াকে অপহরণের অভিযোগ তোলা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুর থেকে নিখোঁজ যুবতীকে উদ্ধার করা হল রাজস্থান থেকে।

বিজেপির নেতা স্বামী চিন্মায়ানন্দের বিরুদ্ধে বছর ২৩ এর ওই যুবতীকে অপহরণের অভিযোগ তুলেছেন যুবতীর বাবা। বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়টি নিজের দায়িত্বে নেওয়ার ঠিক আগেই উদ্ধার করা হল ওই যুবতীকে, জানিয়েছে পুলিশ।  আইনজীবীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান যে, এই ঘটনাটি আরও একটি ‘উন্নাও মামলায়' রূপান্তরিত হতে পারে। এর পরেই সুপ্রিম কোর্ট এই সিদ্ধান্ত নেয়।  উন্নাও ধর্ষণ মামলায় বিজেপির শক্তিশালী বিধায়ক কুলদীপ সিং সেঙ্গারকে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে ২০১৭ সালে।

মামলার আবেদনকারীর তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়, ‘পুলিশ শুধু বিবৃতি দিচ্ছে, কিন্তু যুবতীকে টিভিতে দেকা যাচ্ছে না।' উদ্ধার হওয়া যুবতীর নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট আতঙ্ক রয়েছে বলেও জানানো হয়। তবে, সম্পূর্ণ বিষয়টিকেই ‘ষড়যন্ত্র' বলে দাবি করেন অভিযুক্ত বিজেপি নেতা স্বামী চিন্মায়ানন্দের আইনজীবী।

শনিবার ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন যুবতী। ভিডিওতে সে অভিযোগ করে “সন্ত সমাজের এক বড় নেতা আরও অনেক মেয়ের জীবন ধ্বংস করেছেন এবং আমাকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন।” তিনি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও সাহায্য করার জন্য অনুরোধ করেন।

নিখোঁজ যুবতীর ওই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওর উপর ভিত্তি করেই  যুবতীর বাবা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিন্মায়ানন্দকে অভিযোগের কাঠগড়ায় তোলেন। উল্লেখ্য, যুবতী যে কলেজে পড়েন চিন্মায়ানন্দ সেই প্রতিষ্ঠানের পরিচালন বিভাগের প্রধান।

ঘটনার প্রায় পাঁচ দিন পর পুলিশ ওই যুবতীর পরিবারের অভিযোগ দায়ের করে। প্রাক্তন মন্ত্রী স্বামী চিন্মায়ানন্দের বিরুদ্ধে অপহরণ ও অপরাধমূলক হুমকির অভিযোগ আনেন। বিজেপি নেতার আইনজীবীর বক্তব্য, ‘চিন্মায়ানন্দের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা ও দুর্নাম ছড়াতেই' তা করা হচ্ছে।