হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরেরই নেই নাগরিকত্বের প্রমাণ: আরটিআই

Citizenship: আরটিআইয়ের জবাবে হরিয়ানার জন তথ্য আধিকারিক জানান, তাঁর কাছে থাকা রেকর্ডে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপালের নাগরিকত্ব বিষয়ে কোনও তথ্য নেই

হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরেরই নেই নাগরিকত্বের প্রমাণ: আরটিআই

Manohar Lal Khattar: গত বছর হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী জানান অসমের ধাঁচে সে রাজ্যেও এনআরসি প্রয়োগ করা হবে

হাইলাইটস

  • হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরেরই নাগরিকত্বের নথি নেই
  • তথ্য জানার অধিকার আইনে প্রকাশ্যে এল এই তথ্য
  • নাগরিকত্ব প্রমাণের নথি নেই হরিয়ানার রাজ্যপাল সহ অন্যান্য মন্ত্রীদেরও
চণ্ডীগড়:

তথ্য জানার অধিকার আইন থেকে যেন কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে এল। একটি আরটিআইয়ে জানা গেছে, বিজেপি তথা কেন্দ্রের মোদি সরকার যতই নাগরিকত্বের প্রমাণ নিয়ে গলা ফাটাক না কেন খোদ বিজেপি নেতা তথা হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরেরই নিজের ভারতীয় নাগরিকত্বের (Citizenship) প্রমাণে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নেই। এমনকী নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে পারবেন না হরিয়ানার (Haryana) রাজ্যপাল সত্যদেব নারায়ণ আর্য ও সে রাজ্যের মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন মন্ত্রীও। ২০ শে জানুয়ারি, পানিপথের এক কর্মী পি পি কাপুর হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী (Manohar Lal Khattar), রাজ্যপাল সত্যদেব নারায়ণ আর্য ও রাজ্য মন্ত্রিসভার মন্ত্রীদের নাগরিকত্বের প্রমাণ সম্পর্কে বিশদ তথ্য জানতে চেয়ে একটি আরটিআই দায়ের করেছিলেন। সেই আরটিআইয়ের জবাব পেয়ে তো তিনিও অবাক হয়ে গেছেন।

সিএএ অভ্যন্তরীণ ব্যাপার, রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কাউন্সিলকে জানাল ভারত

পিপি কাপুরের দায়ের করা আরটিআইতে হরিয়ানার জন তথ্য আধিকারিক পুনম রথি বলেন যে তাঁর কাছে থাকা রেকর্ডে এ বিষয়ে কোনও তথ্য নেই। তিনি বলেন, "ওই সম্মানিত ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব সম্পর্কিত নথি নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকলেও থাকতে পারে।" 

গত সেপ্টেম্বরেই রাজ্য নির্বাচনী প্রচারের সময় হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করার জন্য জাতীয় নাগরিক নিবন্ধীকরণ বা এনআরসি কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

বাংলায় থাকা বাংলাদেশিরা, যাঁরা ভোট দেন তাঁরা ভারতীয়: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

“হরিয়ানাতে আমরা অসমের ধাঁচে এনআরসির বাস্তবায়ন করব”, নৌবাহিনী প্রাক্তন প্রধান অ্যাডমিরাল সুনীল লাম্বা এবং হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এইচএস ভাল্লার সঙ্গে বৈঠকের পর বলেছিলেন তিনি। জানা গেছে, ওই বৈঠকে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মুখ্যমন্ত্রীকে পরামর্শ দেন যে রাজ্যের বাসিন্দাদের অসামাজিক কাজকর্ম থেকে দূরে রাখতে একটি বিশেষ আইডি কার্ড তৈরি করে দিক হরিয়ানা সরকার। অথচ আরটিআই জানাচ্ছে, খোদ হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীরই নাগরিকত্বের প্রামাণ্য নথি নেই।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী খট্টর বলেন যে পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হওয়া প্রায় ১৫০০ মানুষ ওই দেশগুলি থেকে পালিয়ে এসে হরিয়ানায় আশ্রয় নিয়েছেন। এর মধ্যে যদিও একটিই মুসলিম পরিবার রয়েছে। এখন সেই মুসলিম পরিবারকে বাদ দিয়ে বাকিদের সিএএ বা সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের আওতায় ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।