This Article is From May 17, 2020

অর্থনৈতিক প্যাকেজ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রীর পঞ্চম দিনের বক্তব্য: হাইলাইটস

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষিত ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন পঞ্চম দিনের বক্তব্য রাখছেন।

অর্থনৈতিক প্যাকেজ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রীর পঞ্চম দিনের বক্তব্য: হাইলাইটস

আর্থিক প্যাকেজ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন পঞ্চম দিনের বক্তব্য রাখছেন প্যাকেজ সম্পর্কে

নয়াদিল্লি:

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষিত ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন পঞ্চম দিনের বক্তব্য রাখছেন প্যাকেজটি সম্পর্কে বিশদে জানাতে। লকডাউনের ফলে দেশের বিপন্ন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে প্রধানমন্ত্রী ওই প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। শনিবার অর্থমন্ত্রী কয়লা, নিরাপত্তা ও বিমান পরিষেবা বিষয়ে ঘোষণা করেন। তার আগের দিন কৃষি পরিকাঠামোয় ১ লক্ষ কোটি টাকা খরচের কথা জানান তিনি। পাশাপাশি এমএফই-র জন্য ১০,০০০ কোটি টাকার প্রকল্পে কথাও জানান অর্থমন্ত্রী।

নির্মলা সীতারামনের পঞ্চম দিনের ঘোষণা সম্পর্কে জেন‌ে নিন:

  • একটা দেশ হিসেবে আমরা অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন। এমন বড় বিপর্যয় দেশের কাছে এক সঙ্কেত বয়ে এনেছে। এটা একটা বার্তা ও সুযোগ নিয়ে এসেছে।
  • ‘আত্মনির্ভর' দেশ, ভূমি, শ্রমিক, আইন ইত্যাদির কথা বলা হয়েছে বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজে।
  • লকডাউনের শেষে আমরা আনব প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ প্যাকেজ। যার সাহায্যে আমরা অভাবীদের মধ্যে খাদ্যশস্য বিতরণ করব।
  • প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ প্যাকেজ প্রযুক্তির ব্যবহার করে সরাসরি অর্থসাহায্য দেওয়া হবে মানুষকে। গত কয়েক বছরের প্রচেষ্টাকে কাজে ‌লাগিয়েই আমরা এটা করতে পারব।
  • এককালীন ২,০০০ টাকা করে দেওয়া হবে ৮.১৯ কোটি কৃষককে। এর জন্য মোট খরচ ১৬,৩৯৪ কোটি টাকা। এনএসএপি সুবিধাভোগীদের প্রথম কিস্তিতে ১,৪০৫ কোটি ও পরে ১,৪০২ কোটি করে মোট ৩,০০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে।
  • লকডাউন উঠে যাওয়ার পরে আরও ২ মাস বিনামূল্যে খাদ্যশস্য ও ডাল দেওয়া হবে। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন শুরু করা হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকদের পৌঁছে দিতে। রাজ্যগুলিকে অনুরোধ করা হয়েছে স্টেশন থেকে ওই শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়ার বন্দোবস্ত করতে। ৮৫ শতাংশ খরচ কেন্দ্রীয় সরকার বহন করবে।
  • এটা করা হয়েছে কারণ ‘জান হ্যা তো জাঁহা হ্যায়' (প্রাণ থাকলে সব থাকবে)। জীবনকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। 
  • আমরা আজ সাতটি ঘোষণা করছি— ১) এমএনআরইজিএ, ২) স্বাস্থ্য— গ্রামীণ ও শহর, শিক্ষা সহ, ৩) বাণিজ্য ও কোভিড-১৯, ৪) কোম্পানি অ্যাক্টের অ-দুর্বৃত্তায়ন, ৫)বাণিজ্যের পথ প্রশস্ত করা, ৬) সরকারি ক্ষেত্রের উদ্যোগ৭) রাজ্য সরকার ও সম্পর্কিত সম্পদ।
  • সঙ্কটের মধ্যেই আমরা সুযোগকে অন্বেষণ করেছি। স্বাস্থ্য পুনুরুদ্ধারে নানা প্রচেষ্টা চলছে। তৃণমূল স্তরে বিনিয়োগ বেড়েছে।
  • প্রত্যেক জেলাকে হাসপাতালে সংক্রামক ব্যাধির আলাদা ব্লক রাখতে হবে।
  • এটা অথবা অন্য মহামারীর পরিস্থিতির জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।