This Article is From Dec 13, 2018

রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রীদের নাম আজই চূড়ান্ত করবেন রাহুল

রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী কারা হবেন তা ঠিক হয়ে যাবে আজ। দুটি রাজ্যেই কংগ্রেসের জয়ী  প্রার্থীরা  নিজেদের  মধ্যে  দীর্ঘ আলোচনা  করেছেন বুধবার।

এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়াই কংগ্রেস হাইকমান্ডের কাছে  সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

হাইলাইটস

  • মুখ্যমন্ত্রীদের নাম চূড়ান্ত করবেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি
  • দলের কর্মীদের থেকে পছন্দের নেতার নাম জানতে চেয়েছেন রাহুল
  • রাজস্থান মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড়ে তিন জায়গাতেই সরকার গড়ছে কংগ্রেস
নিউ দিল্লি:

রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী কারা হবেন তা ঠিক হয়ে যাবে আজ। দুটি রাজ্যেই কংগ্রেসের জয়ী  প্রার্থীরা  নিজেদের  মধ্যে  দীর্ঘ আলোচনা  করেছেন বুধবার।  তবে  চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সভাপতি  রাহুল গান্ধি।  আর নেতা বেছে নিতে এক  অভিনব পদ্ধতির সাহায্য  নিচ্ছেন রাহুল। এই দুই রাজ্য এবং ছত্তিশগড়ের কংগ্রেস কর্মীদের কাছে অডিও বার্তা পাঠিয়েছেন রাহুল। তাতে নিজেদের পছন্দের নেতার নাম জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এটাও বলা হয়েছে  গোটা  বিষয়টিই  গোপন রাখা হবে। মধ্যপ্রদেশ এবং  রাজস্থান দুটি রাজ্যেই মুখ্যমন্ত্রী  পদের একাধিক দাবিদার আছেন আর এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়াই কংগ্রেস হাইকমান্ডের কাছে  সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তাঁদের এত বিপুল জয়ে মমতা নীরব কেন? প্রশ্ন তুললেন কংগ্রেস নেতারা

রাজস্থানে কংগ্রেসের দুই নেতা  সচিন পাইলট এবং অশোক গৌহলতের মধ্যে বিভাজন স্পষ্ট। তবে  ফল প্রকাশিত হওয়ার আগে ও পরে দু'জনকে একসঙ্গে  দেখা  গিয়েছে। রাজস্থানের নতুন বিধায়কদের মধ্যে অনেকেই সচিনের পক্ষে। দিল্লি থেকে উড়ে এসে দুই নেতাই  ৯৯ জন বিধায়কের সঙ্গে কথা  বলেছেন। সচিন মুখ্যমন্ত্রী হলে রাজস্থানে রেকর্ড হবে। এর আগে  মাত্র ৪০ বছর বয়সে কেউ মুখ্যমন্ত্রী হননি। অন্যদিকে আগে  দু'বার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন অশোক। তাঁর  অভিজ্ঞতা তাঁকে এগিয়ে  রাখছে।

কংগ্রেস থিঙ্ক ট্যাঙ্ক জানে আগামী বছরের লোকসভা  নির্বাচনের আগে দুই নেতাকেই  খুশি রাখা  দরকার। আর তাই সেই মতো  সমাধান সূত্র  খুঁজে বের করা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী হবেন কারা, তাই নিয়েই এখন চিন্তা কংগ্রেসের

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কমলনাথ। তবে  আরেক নেতা  জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া  এনডিটিভিকে  জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারলে তিনি সম্মানিত হবেন। তবে যাই হোক মধ্যপ্রদেশের এই দুই নেতার মধ্যে কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করলে তাঁকে আগামী ছ'মাসের মধ্যে  উপনির্বাচনে জিতে আসতে হবে। কারণ এঁরা দুজনেই সাংসদ আর এবারের বিধানসভা ভোটে লড়েননি। অন্যদিকে ফল প্রকাশিত হওয়ার পর সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল জানান  মুখ্যমন্ত্রী বেছে নিতে কোনও সমস্যা হবে না। আর এবার তিনিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত  নেবেন।