কেঁপে উঠল রাজধানী! পরপর দু’দিন ভূমিকম্প দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে

সোমবার দুপুরে মৃদু কম্পন অনুভূত হল দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। এই নিয়ে পরপর দু’দিন ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানী ও তার পার্শ্ববর্তী শহরগুলি।

কেঁপে উঠল রাজধানী! পরপর দু’দিন ভূমিকম্প দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে

রবিবারের কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৫। (প্রতীকী)

নয়াদিল্লি:

সোমবার দুপুরে মৃদু কম্পন (Earthquake ) অনুভূত হল দিল্লি (Delhi) ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। এই নিয়ে পরপর দু'দিন ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানী ও তার পার্শ্ববর্তী শহরগুলি। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ২.৭। এদিন দুপুর ১.২৬ নাগাদ ৫ কিমি ব্যাপ্তিতে ওই কম্পন হয় বলে ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি' জানিয়েছে। এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় ৫.৪৫ নাগাদ ভূমিকম্প হয় উত্তর দিল্লির ওয়াজিরাবাদে। কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৫। আতঙ্কে অনেকেই নিজেদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। কেবল দিল্লি নয়, কম্পন অনুভূত হয় নয়ডা, গাজিয়াবাদ ও ফরিদাবাদেও।

দিল্লি ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভূমিকম্প

এর খানিক পরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল টুইট করে জানান, ‘‘কম্পন অনুভূত হল দিল্লিতে। আশা করি সকলেই নিরাপদে আছেন। আমি আপনাদের প্রত্যেকের নিরাপত্তা কামনা করি।''

দেশের পাঁচটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে দিল্লি। কোনও ভূমিকম্পের উৎকেন্দ্র দিল্লি, এমনটা খুবই বিরল ঘটনা। কিন্তু হিমালয় অঞ্চল কিংবা মধ্য এশিয়ায় ভূমিকম্প হলে দিল্লিতে তার কম্পন অনেক সময়ই অনুভূত হয়। ২০০৪ সালে ২.৮ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছিল। তারও আগে ২০০১ সালে ভূমিকম্প হয়েছিল। সেবার কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৪। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে একথা জানা গিয়েছে। 

রাজধানী জুড়ে আতঙ্ক, দিল্লির ক্যানসার হাসপাতালেই এখন ২৮ জন আক্রান্ত করোনায়

দেশের বাকি অংশের মতো দিল্লিতেও চলছে সম্পূর্ণ লকডাউন। গত ২৫ মার্চ থেকে গোটা দেশের সঙ্গে এখানেও তা শুরু হয়েছে। রাজ্যে ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

করোনা সংক্রমণ রুখতে সকলকে বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে। বাড়িতে থেকেই অফিসের কাজ করছেন অনেকে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে পারলে এই রোগের ছড়িয়ে পড়া অনেকটাই আটকানো যায় বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

(তথ্যসূত্র: পিটিআই)