লকডাউন ৪! ৫০% সামর্থ্য নিয়ে কেরলে খোলা যাবে দোকান-সেলুন: মুখ্যমন্ত্রী

তবে সব প্রশিক্ষণ শিবির-সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগের মতোই বন্ধ থাকবে। চালু থাকবে শুধু অনলাইন ক্লাস। এদিন জানান কেরলের মুখ্যমন্ত্রী

লকডাউন ৪! ৫০% সামর্থ্য নিয়ে কেরলে খোলা যাবে দোকান-সেলুন: মুখ্যমন্ত্রী
তিরুবনন্তপুরম:

লকডাউন ৪-এর (Lockdown 4.0 in Kerala) আবহে কেরলকে সচল রাখতে উদ্যোগী হলেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Pinrayi Vijayan)। সোমবার নানাক্ষেত্রে বিধি শিথিলের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন পিনরাই বিজয়ন। সেই তালিকায় আছে দোকান-বাজার ও সেলুন। তিনি বলেছেন, "৫০% সামর্থ্য নিয়ে কেরলে খোলা যাবে দোকান ও সেলুন। আগামী ৩১ মে পর্যন্ত লাগু থাকবে এই শিথিলতা।" তবে সব প্রশিক্ষণ শিবির-সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগের মতোই বন্ধ থাকবে। চালু থাকবে শুধু অনলাইন ক্লাস। এদিন জানান কেরলের মুখ্যমন্ত্রী। স্থানীয় স্তরে গতিবিধির ওপর নিষেধাজ্ঞা লাঘব করেছে কেরল। আন্তঃজেলা যাতায়াতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "৫০% যাত্রী নিয়ে পথে নামতে পারবে বাস। তবে আন্তঃজেলা কোনও গণপরিবহণ চলবে না। পাস ছাড়াই সকাল ৭টা- সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত যাতায়াত করতে পারবেন নাগরিকরা।" 

জানা গিয়েছে, গত কয়েক দিনে ২৯টি নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এই সংখ্যা ধরলে কেরলে মোট সংক্রমিত ৬৩০ জন। সক্রিয় সংক্রমণ ১৩০। 

এদিকে, কেরলের পড়শি কর্নাটকে প্রতি রবিবার সম্পূর্ণ লকডাউন থাকবে বলে জানিয়ে দিল সরকার। কেবল মাত্র অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা চালু থাকবে। রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী আশওয়াত নারায়ণ একথা জানিয়েছেন সোমবার দুপুরে। পাশাপাশি ইয়েদুরাপ্পা সরকার জানিয়ে দিয়েছে মহারাষ্ট্র, গুজরাত ও তামিলনাডু থেকে কাউকে রাজ্যে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। প্রসঙ্গত, এই তিন রাজ্যে করোনা সংক্রমণ ব্যাপক ভাবে ছড়িয়েছে। রবিবারই কেন্দ্র জানিয়ে দেয় দু'টি রাজ্যের মধ্যে যাতায়াত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দুই রাজ্যের অনুমতি লাগবে। রবিবারই দেশব্যাপী লকডাউনের সময়সীমা ৩১ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। কর্নাটকে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,১০০ ছাড়িয়েছে। মারা গিয়েছে ৩০-এরও বেশি মানুষ।

উপমুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, রাজ্যের পার্কগুলি মঙ্গলবার থেকে খুলবে। এদিনই রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তরে একটি বৈঠকে অংশ নেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষিত লকডাউন গাইডলাইন মেনে চলবে।'' তবে কর্নাটক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিছু লকডাউন সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার ব্যাপারে। যদিও রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন, যা একদিনে সর্বাধিক। সব মিলিয়ে সেখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১,২৩১।