"সংশোধিত বিল না আসা পর্যন্ত কাটা যাবে না সংযোগ", সিইএসসিকে বার্তা মন্ত্রীর

জুন মাসের বিল নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অস্বাভাবিক বিল এসেছে।

তবে যাঁরা চলতি বিল পরিশোধ করতে চান, তাঁরা করতেই পারেন। এমনটাও জানান বিদ্যুৎ মন্ত্রী (ফাইল ছবি)।

কলকাতা:

বিল শোধের নতুন দিন ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কাটা যাবে না বিদ্যুৎ সংযোগ। সোমবার সিইএসসি-কে বার্তা দিতে একথা বললেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। জুন মাসের বিল নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অস্বাভাবিক বিল এসেছে। এই অভিযোগে সোশাল মিডিয়া থেকে সিইএসসি'র সদর দফতর ভিক্টোরিয়া হাউজে গিয়ে প্রতিবাদ দেখান নাগরিকরা। প্রথমে এপ্রিল-মে মাসের অনাদায়ী বিল জুড়ে পাঠানো হয়েছে জুন মাসের বিল। এই আবেদন প্রকাশ্যে করলেও, কমেনি প্রতিবাদ। এরপর সিইএসসি বাধ্য হয় অবস্থান বদল করতে। শুধু জুন মাসের বিল পরিশোধ করতে নতুন বিল পাঠানো হবে গ্রাহকদের। এই আবেদন করেছে সিইএসসি। ফলে আপাতত স্বস্তিতে শহরের প্রায় সাড়ে পচিশ লক্ষ গ্রাহক। এবার নতুন বিল মানে নতুন বকেয়া আদায়ের দিন। যতদিন না পর্যন্ত এই বিতর্কের নিষ্পত্তি হচ্ছে, ততদিন গ্রাহকদের সংযোগ কাটা যাবে না। এমনটাই এদিন নির্দেশ দিলেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

মন্ত্রীর আবেদন, "যাঁরা এখনও জুন মাসের বিল পরিশোধ করেননি, তাঁরা অপেক্ষা করুন। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন সংশোধিত বিল আসবে। তখন পরিশোধ করবেন।" তবে যাঁরা চলতি বিল পরিশোধ করতে চান, তাঁরা করতেই পারেন। এমনটাও জানান বিদ্যুৎ মন্ত্রী।

এদিকে, এই বিল-কাণ্ডে কিছুটা বিপাকে সিইএসসি। কলকাতা ও গ্রেটার কলকাতা এলাকায় প্রায় ৩৩ লক্ষ গ্রাহক এই সংস্থার। লকডাউন চলাকালীন বাড়ি গিয়ে মিটার রিডিং সম্ভব হয়নি। তাই সম্ভাব্য একটা বিল এপ্রিল ও মে মাসে পাঠানো হয়েছিল। গ্রাহকদের। আনলক পর্বে ফের মিটার রিডিং শুরু হলে জুন মাসের বিল দেখে চক্ষু চড়কগাছ গ্রাহকদের।

সিইএসসি'র যুক্তি , লকডাউনে পরিবারের সদস্যরা প্রায় দু'মাস গৃহবন্দি থাকায় বিদ্যুৎ ব্যবহার বেশী হয়েছে। তাই বিলের পরিমাণ বেশী। কিন্তু এই যুক্তি মানতে নারাজ তারকা থেকৃ সাধারণ মানুষ।
 



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)