This Article is From Aug 08, 2020

করোনা-ভয় তুচ্ছ করে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করে সিআইএসএফ

Kerala Plane Crash: অবতরণের সময় বিমানের চাকা পিছলে গিয়ে রানওয়ে থেকে ৩৫ ফুট দূরে ছিটকে পড়ে এবং সেটি ভেঙে (Kerala Plane Crash) দু'টুকরো হয়ে যায়

করোনা-ভয় তুচ্ছ করে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করে সিআইএসএফ

Air India Express plane: কেরলের কোঝিকোড়ে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বিমানটি

হাইলাইটস

  • শুক্রবার কেরলে কোঝিকোড় বিমানবন্দরে ঘটে দুর্ঘটনা
  • বৃষ্টির মধ্যে অবতরণের সময় পিছলে যায় বিমানের চাকা
  • এখনও পর্যন্ত ওই বিমান দুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে
নয়া দিল্লি:

শুক্রবার সন্ধেবেলা যখন কেরলের কোঝিকোড় (Kozhikode) বিমানবন্দরে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস বিমানটি (Air India Express plane) রানওয়ে থেকে ছিটকে যায় তখন ওই দুর্ঘটনা যাঁরা চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করেন তাঁরা হলেন বিমানবন্দরের সীমানায় কর্তব্যরত সিআইএসএফ জওয়ানরা। অবতরণের সময় বিমানের চাকা পিছলে গিয়ে রানওয়ে থেকে ৩৫ ফুট দূরে ছিটকে পড়ে এবং সেটি ভেঙে (Kerala Plane Crash) দু'টুকরো হয়ে যায়। সিআইএসফ জওয়ানদের কানে তখন বাজছে দুর্ঘটনার কবলে পড়া যাত্রীদের ভয়ঙ্কর আর্তনাদ ও শিশুদের কান্না। দুর্ঘটনাস্থলের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিমানের বিভিন্ন অংশবিশেষ। চারদিকে যেন এক ভয়ঙ্কর ধ্বংসের ছবি। জানা গেছে, বিমানটির অবতরণের সময় প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল কোঝিকোড়ে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাই পাইলটরা বিমানটি দু'বার অবতরণের চেষ্টা করেও নামতে পারেননি। তৃতীয়বার নির্ধারিত রানওয়ের বদলে অন্য একটি রানওয়েতে নামতে গিয়েই ঘটে যায় ওই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। 

সিআইএসএফের স্পেশাল ডিরেক্টর জেনারেল এম এ গণপতি এনডিটিভিকে বলেন, "আমাদের কর্মীরা উঁচু পেরিমিটার পোস্ট থেকেই ওই দুর্ঘটনাটি দেখতে পান, তখনই আমরা ছুটে যাই সেখানে।" পরে অবশ্য সিআইএসএফ জওয়ানদের পাশাপাশি আরও উদ্ধারকর্মীরা হাত লাগান। এমনকী সিআরপিএফ কর্মীদের পরিবারের সদস্যরাও ছুটে এসে উদ্ধারকাজে সহায়তা করেন।

গণপতি বলেন, কিছু যাত্রী ধ্বংসাবশেষের মধ্যে আটকা পড়ে যান কারণ, কয়েকটি সিট বেল্ট জ্যাম হয়ে যায়। অবশেষে কয়েক ঘণ্টা পরে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী একটি বিশেষ যন্ত্র দিয়ে ওই সিট বেল্ট কেটে তাঁদের সেখান থেকে উদ্ধার করেন। 

সিআইএসএফের ওই শীর্ষ কর্তা বলেন, "ভাগ্গ্যিস, বিমানে কোনওভাবে আগুন লেগে যায়নি, তাই যাত্রীদের সেখানে থেকে অনেকটাই তাড়াতাড়ি উদ্ধার করা গেছে।"

তবে যেভাবে শুধুমাত্র মাস্ক পরে উদ্ধারকাজ চালান কর্মীরা তাতে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না অনেকেই। কারণ ওই বিমানে দুবাইয়ে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফেরানো হচ্ছিল, যাঁদের দেশে পা রাখার পরপরই করোনা সতর্কতায় সঙ্গেসঙ্গে কোয়ারান্টাইনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু বিমান দুর্ঘটনা এক ফুঁয়ে উড়িয়ে দিলো সেইসব সতর্কতা। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান থেকে আর্ত যাত্রীদের উদ্ধার করতে করোনা সংক্রমণের ভয় তুচ্ছ করেই ঝাঁপিয়ে পড়েন সিআইএসএফ ও অন্যান্য উদ্ধারকারী দলের কর্মীরা। এর নামই বোধহয় মানবতা।