পাকিস্তান থেকে আসা দ্রব্যের উপর শুল্ক ২০০% বাড়াল ভারত

পাকিস্তান থেকে আসা যে কোন দ্রব্যের উপর শুল্ক ২০০% বাড়াল মোদি সরকার।

পাকিস্তান থেকে আসা দ্রব্যের উপর শুল্ক ২০০% বাড়াল ভারত

পাকিস্তান থেকে ভারত সবজি লোহা থেকে শুরু করে সহ আরও নানা কিছু রপ্তানি করে।

হাইলাইটস

  • পাকিস্তান থেকে আসা যে কোনও দ্রব্যের উপর শুল্ক বাড়ল ২০০%
  • আগেই মস্ট ফেভার্ড নেশন এর পতাকা ফিরিয়ে নিয়েছে ভারত
  • জঙ্গি হামলার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার
নিউ দিল্লি:

 পাকিস্তান থেকে আসা যে কোনও দ্রব্যের উপর আমদানি শুল্ক ২00% বাড়াল মোদি সরকার।  আগেই মস্ট ফেভার্ড নেশন এর পতাকা ফিরিয়ে নিয়েছে ভারত।  আর এবার  শুল্ক এক ধাক্কায় এতটা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর।  শুধু তাই নয় এখন থেকেই লাগু  হয়ে যাচ্ছে এই নিয়ম।  কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এক বিবৃতিতে জানান   কাশ্মীরে হামলার পর  ভারত পাকিস্তানকে দেওয়া মস্ট ফেভার্ড নেশন এর তকমা ফিরিয়ে নিয়েছে।  আর এবার শুল্ক ২০০% বাড়ান হল।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানকে কোণঠসা করার কাজ শুরু করল ভারত, ফিরিয়ে নিল মোস্ট ফেভার্ড নেশনের তকমা, ১০টি তথ্য

 

  বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার  সদস্য দেশ গুলি নিজেদের মধ্যে কোন একটিকে এই তকমা দিতে পারে।  ভারত ১৯৯৬ সালে  পাকিস্তানকয়ে এই  তকমা  প্রদান করেছিল। তবে এত বছরে  ইসলামাবাদ কোনও দিন সেই পথে হাঁটেনি।   ভারত এবং  পাকিস্তানের মধ্যে বছরে প্রায় দুই  বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা  হয়। এর মধ্যে ভারেতের  রপ্তানীর পরিমাণ-ই বেশি। পাকিস্তান থেকে ভারত সবজি লোহা থেকে শুরু করে রাসায়নিক দ্রব্য সহ আরো নানা কিছু রপ্তানি করে  অন্য দিকে  পাকিস্তানও কিছু জিনিস  পাঠায়  এ দেশে। এবার  তার জন্য বাড়তি শুল্ক দিতে হবে।

এদিকে কাশ্মীরের সাম্প্রদায়িক হামলার সঙ্গে যে পাকিস্তান জড়িয়ে আছে তা বোঝাতে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করল দিল্লি।  দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন মঞ্চে এই তথ্য প্রমাণ গুলি তুলে ধরা হবে বলে জানা গিয়েছে।  প্রস্তুতির  প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে শনিবার দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কর্তাদের সঙ্গে  রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।  মন্ত্রকের এক প্রবীণ কর্তা  এনডিটিভিকে জানিয়েছেন তদন্তে যে সমস্ত তথ্য প্রমাণ সেগুলি ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্সকে দেওয়া হবে।  সন্ত্রাসের ঘটনা কারা অর্থ যোগাচ্ছে তা খুঁজে বার কর আই এই টাস্কফোর্স এর কাজ। এই তথ্য পেশ  পাকিস্তানের ‘মুখোশ' খুলে দিতে চাইছে ভারত। 

  বৈঠকে ছিলেন র-এর প্রধান অনিল ধাসমানা,  জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব রাজিব গৈবা  থেকে  শুরু করে আরও অনেকে।  আইবির প্রধান রাজীব জৈনও ছিলেন বৈঠকে।

 

More News