This Article is From Dec 28, 2019

"মানুষকে সমস্যায় ফেলতে পারে" এমন কিছুর প্রয়োগ নয়: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

হাওড়া এবং কলকাতা পুরসভার আধিকারিক এবং জেলা শাসকদের NPR সম্পর্কিত "সমস্ত কার্যক্রম" স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার

West Bengal: মানুষকে সমস্যায় ফেলতে পারে এমন কিছু করতে দেবেন না তিনি, সাফ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

হাইলাইটস

  • সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের পাশাপাশি এনপিআরের বিরুদ্ধেও গর্জে উঠলেন মমতা
  • মানুষের অসুবিধা হয় না এমন কিছু করতে দেবেন না তিনি, সাফ জানালেন তিনি
  • এনআরসির সঙ্গে যোগসূত্র আছে এনপিআরের, উঠেছে অভিযোগ
কলকাতা:

কোনওভাবেই রাজ্যের মানুষ সমস্যায় পড়ুন তা চান না তিনি, স্পষ্ট করে আরও একবার জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই জন্যেই রাজ্য প্রশাসনকে জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধীকরণের (NPR) খসড়া তৈরি করার কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে যে, এনপিআর বা জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধীকরণের খসড়া আসলে এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জিকরণেরই (NRC) প্রথম ধাপ। এ বিষয়ে এর আগেও কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারকে (BJP-led NDA government) আক্রমণ করেছেন তৃণমূল নেত্রী। ফের একবার বললেন, রাজ্যের "মানুষকে সমস্যায় ফেলতে পারে" এমন কোনও কিছুর প্রয়োগ করতে দেবেন না তিনি (Mamata Banerjee)।  "আমি বলেছিলাম যে আমরা এনপিআরের খসড়া তৈরি করব। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি এটি জনগণনারই একটি অংশ। রেশন কার্ডের জন্য বা তথ্য সংরক্ষণ করার জন্যে এটির প্রয়োজন হবে।"

"যদিও পরে আমি দেখলাম যে সংশ্লিষ্ট আইনটি সংশোধন করা হয়েছে। তাহলে আমি কেন এটা প্রয়োগ করব?", উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটিতে একটি সরকারি অনুষ্ঠান থেকে এনপিআরের সমালোচনা করে বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রবি ঠাকুরের "জন গণ মন" দেশকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে অনুপ্রাণিত করে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

১৬ ডিসেম্বর থেকে এ রাজ্যে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ চলছে। আর সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এনপিআর প্রস্তুত এবং তা আপডেট করার কাজ স্থগিত করার ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। হাওড়া এবং কলকাতা পুরসভার আধিকারিক এবং জেলা শাসকদের এনপিআর সম্পর্কিত "সমস্ত কার্যক্রম" স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয় রাজ্য সরকার। সরকারের তরফ থেকে ওই নয়া নির্দেশ জারি করেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব।

এই সরকারি পদক্ষেপের ব্যাখ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন: "আমি এমন কিছু করবো না যা রাজ্যের মানুষকে সমস্যায় ফেলতে পারে। আমার দল এবং আমার সরকারও এ জাতীয় কোনও কাজই করবে না।

"আমরা যতটা সম্ভব কেন্দ্রীয় সরকারকে সহায়তা করব। কিন্তু এভাবে কেন মানুষের কাছ থেকে অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হবে, এটা উচিত?", প্রশ্নবাণে মোদি সরকারকে বেঁধেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

আমি যতদিন বেঁচে আছি বাংলায় নাগরিকত্ব আইন কার্যকর হবে না: মুখ্যমন্ত্রী

শুধু রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসই নয়, বামপন্থীরাও এনআরসি এবং সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন, রাজ্যে হওয়া এনপিআরের খসড়াকেও বন্দুকের নিশানায় রাখেন তাঁরা। বামেরা দাবি করে যে এনপিআরের সঙ্গে এনআরসির যোগসূত্র থাকায় রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে এনপিআরের কাজ বন্ধ করা উচিত। কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণের পাশাপাশি বামেরা তীব্র সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারেরও।

দেখুন দেশের অন্যান্য খবর:

.