This Article is From Jan 16, 2020

‘‘কেন আমাকে ভুগতে হবে’’: জেলের তরফে ফাঁসির নতুন তারিখ চাওয়ার পর নির্ভয়ার মা

Nirbhaya Case: আগামী বুধবার সকাল ৭টায় তিহার জেলে ফাঁসি হওয়ার কথা বিনয় শর্মা, মুকেশ কুমার, অক্ষয় কুমার ও পবন গুপ্তার।

‘‘কেন আমাকে ভুগতে হবে’’: জেলের তরফে ফাঁসির নতুন তারিখ চাওয়ার পর নির্ভয়ার মা

Nirbhaya Case: মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আর্জি জানায় মুকেশ। (ফাইল)

নয়াদিল্লি:

সরকার ও তিহার জেল (Tihar Jail) কর্তৃপক্ষের ‘‘গাফিলতির'' কারণে তাঁকে কেন ভুগতে হবে বলে প্রশ্ন তুললেন নির্ভয়ার (Nirbhaya) মা আশা দেবী (Asha Devi)। দিল্লি সরকার হাইকোর্টকে জানিয়েছে ২২ জানুয়ারি নির্ভয়া কাণ্ডের অপরাধীদের ফাঁসি দেওয়া সম্ভব হবে না। কেননা প্রাণভিক্ষার আর্জি জানিয়েছে এক অপরাধী। এই পরিস্থিতিতে আশা দেবী জানাচ্ছেন, ‘‘ফাঁসির দিন পরিবর্তন করা উচিত নয়। দোষীদের জন্য অনেক ফাঁকফোকর রয়েছে। কিন্তু আমার মতো কেউ, যে গত কয়েক বছর ধরে আদালতে চক্কর কাটছে একমাত্র মেয়ের মৃত্যুর সাক্ষী হওয়ার পর— তার জন্য কোনও অবকাশ নেই। কেন তিহার জেল কর্তৃপক্ষ ও সরকারের ‘‘গাফিলতির'' কারণে আমাকে ভুগতে হবে?''

তিনি আরও বলেন, ‘‘যদি ওদের অধিকার থাকে, আমাদেরও সাত বছর আগে নিহত আমার মেয়ের জন্য বিচারের অধিকার রয়েছে।''

Nirbhaya case: চার ধর্ষকের ফাঁসির নতুন তারিখ চাইল তিহার জেল

আগামী বুধবার সকাল ৭টায় তিহার জেলে ফাঁসি হওয়ার কথা বিনয় শর্মা, মুকেশ কুমার, অক্ষয় কুমার ও পবন গুপ্তার। এমাসের শুরুতেই আদালত তাদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছে।

গত ২০১২ সালের ডিসেম্বরে এক ২৩ বছরের তরুণীকে বাসের মধ্যে ধর্ষণ করা হয়। সেই সঙ্গে চলে পাশবিক নির্যাতন। কয়েক দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার পরে মেয়েটির মৃত্যু হয়। সেই সময় গোটা দেশ গর্জে উঠেছিল নিহত নিগৃহীতার বিচার চেয়ে।

নির্ভয়া কাণ্ডে ফাঁসি কার্যকরী করতে গা ছাড়া ভাব ছিল আপের: প্রকাশ জাভড়েকর

গত মঙ্গলবার অপরাধীদের কিউরেটিভ পিটিশন প্রত্যাখ্যান করে দেয় আদালত। তারপরই রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আর্জি জানায় মুকেশ কুমার। পরে সরকার আদালতকে জান‌ায়, ওই আর্জি খারিজ হওয়ার পরে অপরাধীদের ফাঁসি দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার তিহার জেলের তরফে দিল্লি সরকারকে আর্জি জানানো হয়, ফাঁসি স্থগিত করার জন্য। এদিন আদালত জানিয়েছে, ‘‘২২ জানুয়ারি আসতে আর পাঁচ দিন। রাষ্ট্রপতি এক কী দু'দিনের মধ্যে প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ করবেন। এরপর ওই অপরাধীদের ১৪ দিনের সময় দিতে হবে। তারপর তাদের নতুন তারিখ দেওয়া হবে। এই পরিস্থিতিতে কী করে ফাঁসি হবে ওই দিন।''

কেন্দ্রীয় সরকার এই ধীর গতির জন্য আপ সরকারকে দায়ী করেছে। যদিও দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া জানিয়েছেন, তাঁরা প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ করে দিয়েছেন ‘‘আলোর গতিতে''।