পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডারের চাবি কোথায়, কেউ জানে না তার খোঁজ!

16 জন সদস্যের একটি দল 34 বছর বাদে পরীক্ষা করে দেখার জন্য সেই 'রতন ভাণ্ডারে' প্রবেশ করে

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডারের চাবি কোথায়, কেউ জানে না তার খোঁজ!

চাবি কোথায় আছে তা কেউ জানে না

নিউ দিল্লী: ওড়িশার পুরীতে অবস্থিত বিখ্যাত জগন্নাথ দেবের মন্দিরের চাবি পাওয়া যাচ্ছে না বলেই শোনা যাচ্ছে।এই ঘটনা নিয়ে পুরীর শঙ্করাচার্য এবং রাজ্যের বিপক্ষীয় দল বিজেপি ঘোরতর বিরোধিতা করেছে। শ্রী জগন্নাথ টেম্পল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য রামচন্দ্র দাস মহাপত্র জানান যে 4 ই এপ্রিল এ কমিটির বৈঠকে এটি জানানো হয়েছিল যে রত্নগর্ভস্থ ভাণ্ডারের অভ্যন্তরীণ চেম্বারের চাবি হারিয়ে গেছে। উড়িষ্যা হাইকোর্টের আদেশের পর, 4 ই এপ্রিল কঠোর সুরক্ষার ঘেরাটোপে 16 জন সদস্যের একটি দল 34 বছর বাদে পরীক্ষা করে দেখার জন্য সেই 'রতন ভাণ্ডারে' প্রবেশ করে। 

শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ব্যবস্থাপনার একজন কর্মকর্তা বলেন যে তদন্ত দলের সদস্যদের ভেতরের চেম্বারে প্রবেশ করার দরকার ছিল না, কারণ বাইরে থেকেই লোহার গ্রিলের মাধ্যমে ভেতরটা দেখা যায়।উড়িষ্যা হাইকোর্টের রায়ের পর ভক্তরা মন্দিরের পবিত্র স্থান গর্ভগৃহে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না।

দাস মহাপাত্র বলেন যে মন্দির প্রশাসন বা পুরী জেলা কোষাগারে কাছে আভ্যন্তরীণ কক্ষের চাবি নেই।এই ঘটনাটি দুইমাস বাদে জানা গেছে।পুরীর শঙ্করাচার্য স্বামী নিশ্চলানন্দ সরস্বতী এই ঘটনার জন্য ওড়িশা সরকারের সাথে আলোচনা করেছেন। একই সঙ্গে, বিজেপি এই ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের কাছে কৈফিয়ত চেয়েছে।

উড়িষ্যার শ্রমিকরা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রেখেছে 
শঙ্করাচার্য বলেছেন এই ঘটনা প্রমান করে যে, রাজ্য সরকার এবং মন্দির কর্তৃপক্ষ তাদের দায়িত্ব পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। রাজ্যের সাংবাদিকদের, বিজেপি মুখপাত্র পীতাম্বর আচার্য বলেন, ''চাবি কোথায় গেল এবং তার জন্য কে দায়ী, এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তার স্পষ্টীকরণ দিতে হবে''। ওড়িশা হাইকোর্ট 2016 সাল থেকে এএসআই  দ্বারা মন্দিরের পুনর্নির্মাণের কাজ পর্যবেক্ষণ করছে।