This Article is From Jun 02, 2019

‘‘সভ্য আচরণের পরিপন্থী’’: ইফতার বিশৃঙ্খলায় পাকিস্তানকে আক্রমণ ভারতের

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভিও ছাড়াও রাজনীতিক, শিক্ষাবিদ, লেখক এবং নাগরিক সমাজকর্মীরা আমন্ত্রিত ছিলেন।

পাকিস্তানি আধিকারিকরা অনুষ্ঠানের স্থান হোটেল সেরেনা ঘিরে ফেলেন এবং শ’খানেক অভ্যাগতকে ফিরে যেতে জোর করেন।

হাইলাইটস

  • ইফতার পার্টিতে অতিথিদের ভয় দেখায় পাকিস্তানি আধিকারিকরা।
  • প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় সরকার আজ কড়া ভাষায় বিবৃতি দিয়েছে।
  • পাকিস্তানের এমন আচরণ ভারতের কাছে এই প্রথম নয়।
নয়াদিল্লি:

গত শনিবার ইসলামাবাদে  (Islamabad) একটি ইফতার (Iftar) পার্টিতে অতিথিদের ভয় দেখানোর প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় সরকার আজ কড়া ভাষায় বিবৃতি দিয়েছে। ভারতীয় হাই কমিশনের তরফে একটি চিঠি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে সমালোচনা করে বিষয়টিকে ‘পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমবেত কার্যকলাপ' বলে বর্ণনা করা হয়েছে। হাই কমিশন সান্ধ্য উপোস-ভঙ্গকারী খাবার গ্রহণের পার্টি আয়োজনে তাদের বাধাদানকে ‘কূটনৈতিক আচরণের মৌলিক নিয়ম' লঙ্ঘন ও ‘সমস্ত সভ্য ব্যবহারের ধারণার' বাইরে বলে ব্যখ্যা করে।  চিঠিতে পাকিস্তান সরকারকে ‘দ্রুত এই কুৎসিত আচরণ'-এর তদন্ত করতে ও সেই গবেষণার ফলকে কমিশনকে জানানোর কথা বলা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে—‘‘ইসলামাবাদে অবস্থিত কূটনৈতিক জগতের অনেক অতিথিকে বিব্রত করা হয়েছে। কূটনৈতিক আচরণের মৌলিক নিয়মকে সম্পূর্ণ ভঙ্গ করে অনেক পাকিস্তানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য কাঁচাচামচ হাতে নিয়ে সেরেনা হোটেলের বাইরে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানি ন‌াগরিকদের আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে দূরে সরিয়ে দিতে থাকে।''

ঘটনার ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী একটি কালো গাড়িকে দূরে পাঠিয়ে দিচ্ছে ও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে আচরণ করছে অতিথিদের সঙ্গে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভিও আমন্ত্রিত ছিলেন। কিন্তু দুই নেতাই আসেননি। এছাড়াও রাজনীতিক, গোষ্ঠী নেতা, সুফি সিরিনদের নেতা, শিক্ষাবিদ, লেখক এবং নাগরিক সমাজকর্মীরা ছিলেন অভ্যাগতদের দলে।

হাই কমিশনের ওই চিঠিতে বিসারিয়া এও বলেন, ‘‘ভয় এবং জোর দেখানো এই আচরণ দু'দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পক্ষেও প্রতিকূল।''

শনিবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানি আধিকারিকরা অনুষ্ঠানের স্থান হোটেল সেরেনা ঘিরে ফেলেন এবং শ'খানেক অভ্যাগতকে ফিরে যেতে জোর করেন। প্রতিবেশী দেশে এমন আচরণের সম্মুখীন হওয়ার অভিজ্ঞতা ভারতের কাছে অবশ্য এই প্রথম নয়। 

গত মাসেই লাহোরের কাছে গুরদ্বারা সাচা সওদায় শিখ তীর্থযাত্রীদের জন্য ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য দু'জন কূটনীতিককে একটি ঘরে ২০ মিনিট আটকে রাখা হয়। এ ব্যাপারে ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করে। ওই দুই কূটনীতিককে ভয় দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হয় ওই অঞ্চলে আর না আসতে।

এই সপ্তাহের শুরুতে পাকিস্তান হাই কমিশন দিল্লিতে একটি ইফতার নৈশভোজের আয়োজন করে। সেখানে জনপ্রিয় লেখক, শিল্পীরা ছাড়া পাকিস্তানি ছাত্ররা অংশগ্রহণ করেছিলেন।